ভিড় থেকে অনেক দূরে পুজোয় বেড়াতে যেতে পারেন দেশের এই জায়গাগুলিতে, দেখুন ফোটো ফিচার
পুজোর সময়ে যেকোনও প্যান্ডেলমুখী রাস্তাই ভিড়ে ঠাসা থাকে। তবে, সেই ভিড়কেও যদি এড়াতে চান, তাহলে যেতে পারেন দেশের কয়েকটি ট্রাভেল ডেস্টিনেশনে।
পুজোর সময়ে যেকোনও প্যান্ডেলমুখী রাস্তাই ভিড়ে ঠাসা থাকে। আর উৎসবের মরশুমের এই চেনা ছবিটা রাজ্যে চিরন্তন। তবে অনেকেই ছুটির ক'টাদিন কাটাতে চান চেনা কোলাহল থেকে দূরে। সেক্ষেত্রে দেখা যায়, বেশ কিছু বেড়াবার জায়গতেও পুজোর সময় বাঙালির ভিড়ের কমতি হয়না![আরও পড়ুন: দেশের কয়েকটি জায়গায় 'হোম স্টে'-এর খোঁজখবর জানুন ফটোফিচারে]
তবে, সেই ভিড়কেও যদি এড়াতে চান, তাহলে যেতে পারেন দেশের কয়েকটি ট্রাভেল ডেস্টিনেশনে। যা আপনাকে মুগ্ধ করবে অবশ্যই।[আরও পড়ুন:রাজস্থানের এইসব জায়গায় আজও লুকিয়ে বহু রহস্য, গা ছমছমে বহু ঘটনা জানুন ফোটোফিচারে]

সিমলিপাল
সবুজঘেরা সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্ক ওড়িশায় ময়ূরভঞ্জে অবস্থিত। দেশের বাকি ন্যাশনাল পার্ক থেকে এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও গুরুত্বের দিকে থেকে অনেকটাই আলাদা। চারিদিকে শাল বনের মধ্যে অবস্থিত এই ন্যাশনাল পার্কে দেখা যায়, বিরল জাতের এশিয়ান হাতি। এছাড়াও রয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। তবে পশু পাখীর আকর্ষণ ছাড়িয়েও এই জায়গার সবুজ আপনাকে বছরের বাকি দিনের কংক্রিটের দুনিয়ার ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে বাধ্য। এখানে বেড়াতে গেলে খাওয়া দাওয়া আগে থেকেই বুক করে নিতে পারবেন। বেড়াতে যেতে পারবেন সাফারিতেও। তাছাড়াও থাকার জায়গাও বুক করা যায় এখানে। রিজার্ভ ফরেস্টের বারিপদার সংযোগ নম্বর-06792-259126। জশিপুরের সংযোগ নম্বর -06797-232474।[আরও পড়ুন: কলকাতার সেরা 'হালিম' চাখতে হলে দেখুন এই ফোটোফিচার]

চোপ্তা...'মিনি সুটইজারল্যান্ড ' !

চম্পাই

ইথিপোথালা
অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুরের ইথিপোথালা ঝরনাও পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। কৃষ্ণা নদীর উপনদী চন্দ্রভাঙ্কা নদীতে এই ঝরনা তৈরি হয়েছে। এই জায়গার কিছুটি দূরেই রয়েছে নাগার্জুন সাগর। এখানের কাছেই রয়েছে কুমিরদের একটি সংরক্ষণ মূলক জলাশয়। সমব মিলিয়ে বন্য জীবনকে খুব কাছ থেকে দেখতে হলে , ইথইপোথালা ঝরনা দারুন আকর্ষণীয়।

চেম্বরা
কেরলের ওয়েনাদের অন্যতম আকর্ষণ চেমরা পিক। মেপদ্দি জেলার কাছেই অবস্থিত এই চেম্বরা। এখানে ওয়েনাদের পশ্চিমঘাট পর্বতের সংযোগস্থে গঠিত। তবে চেম্বরা পিকে যেতে গেলে মেপাদ্দি বনদফতরের অনুমতি নিতে হয়। KSRTC (both Kerala & Karnataka)-র বাসে কেরলা বা কর্ণাটক দুটি দিক থেকেই এই জায়গায় যাওয়া যায়।

আরাকু ভ্যালি
অন্ধ্র প্রদেশের আরাকুভ্যালি নামটি অত্যন্ত পরিচিত। তবে এখানের সবুজের শান্ত পরিবেশ আপনার সারা বছরের ক্লান্তিকে কাটিয়ে তুলতে অনেকটাই ,সাহায্য করবে। এখানের কফি বাগানের কথা হয়তো অনেকেই জানেননা। তাঁরা ঘুরে দেখে আসতে পারেন, আরাকুর কফি বাগান। তাছাড়াও এখানের উপজাতিদের ব্যাম্বু চিকেনের স্বাদ অতুলনীয়। আর উপজাতিদের সম্পর্কে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে একটি সংগ্রহশালা, যা তাঁদের জীবনশৈলি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকে।

ভেদঘাট
মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের ভেদঘাট , এলাকার মার্বেল পাথরের জন্য পাহাড়ের জন্য বিখ্য়াত। তবে ভেদঘাটে নর্মদা নদীকে যেভাবে দেখা যায়, তা অন্য কোথাও পাওয়া মুশকিল। দুধসাদা হয়ে এখানের ঝরনা পড়ে। চোখ জুড়িয়ে দেওয়ার মতো এই জায়গা যেতে গেলে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর স্টেশন থেকে গাড়িতে যেতে হবে ভেদঘাটে। যেতে সময় লাগবে ৪৩ মিনিট।

খজ্জিয়ার
সুইটজারল্যান্ড দেখার শখ থেকে থাকলে, দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতেই পারেন এই জায়গায় গিয়ে। হিমাচল প্রদেশের চাম্বার খজ্জিয়ার এলাকাটি সুইটজারল্যান্ডের সৌন্দর্যের থেকে কিছু কম নয়। ডালহাউসি থেকে ২৪ কিলোমিটার গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায়, এই স্বপ্ন সুন্দর জায়গায়।

অন্দ্রেত্তা
হিমাচল প্রদেশের একের পর জায়াগা মন কেড়ে নেওয়ারই মতো। তবে তার মধ্যেও রয়েছে বেশ কিছু জায়গা যা নিজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আলাদাভাবে তুলে ধরে। অন্দ্রেত্তা তার মধ্যে অন্যতম। সেরাজ্যের কাঙ্গরা জেলার অন্যতম গ্রাম হল অন্দ্রেত্তা। এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশপাশি মাটির পাত্রের শৈলি নজর কাড়ার মতো।

লেপাক্ষী
যাঁরা গড়িয়াহাটে বাজার করেন, তাঁদের কাছে 'লেপাক্ষী' নামটি চেনা হতে পারে! তবে এই নামটি যেজায়গা থেকে এসেছে সেই জায়গাটিও বেশ মনোরম। অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুরে অবস্থিত শিবর এক অত্যাশ্চর্য মন্দির লেপাক্ষী। সেখানে শিবেরে বীরভদ্র রূপকে আরাধনা করা হয়। রামায়ণ , মহাভারতের বহু কাহিনীকে এখানে খোদাই করা রয়েছে মন্দিরের দেওয়ালে।












Click it and Unblock the Notifications