Travel: চা বাগানে বর্ষা দেখতে হলে চলে আসুন পাহাড়ের এই অফবিট লোকেশনে
উত্তরবঙ্গে কড়া নাড়ছে বর্ষা। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি। এই বর্ষায় অনেকেই মনে করেন পাহাড় বেড়ানো ঠিক নয়। কিন্তু এই বর্ষাতেও পাহাড়ের একটা মোহময়ী রূপ রয়েছে। সেই রূপ দেখতে হলে চলে আসুন উত্তরবঙ্গের এই লোকেশনে।
পাত্তাবং টি গার্ডেন। এই সময় চা-বাগান আরও সবুজ হয়ে ওঠে। দার্জিলিং পাহাড়ের কোলে রয়েছে এই পাত্তাবং টি গার্ডেন। জায়টির কাছেই রয়েছে একটি জায়গা তুকভার। কাঞ্জনজঙ্ঘা বর্ষা কালে তেমন ভাবে স্পষ্ট দেখা যায় না উত্তরবঙ্গের কোনও জায়গা থেকেই। তবে যেদিন দেখা যায় সেদিন যেন আরও ঝকঝক করে তার রূপ।

পাত্তাবং চা বাগানটি এমন একটি জায়গায় রয়েছে যেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘা যেমন দেখা যায় তেমনই দেখা যায় প্রকৃতির অপরূপ শোভা। চা-বাগানে ছোট ছোট বস্তি রয়েছে। অনায়াসেই চা-বাগানের অলিতে গলিতে ঘুরতে পারবেন। আবার ট্রেক করতে পারবেন তাঁরা। তার সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘার মায়াবী রূপ অসাধারণ লাগে দেখতে।
দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই চা বাগান। কাজেই গাড়ি নিয়ে অনায়াসে এখানে আসা যায়। আবার এখান থেকে গাড়িতে দার্জিলিং ঘুরে নিতে পারবেন। বর্ষায় চা বাগান আর পাহাড়ের কম্বিনেশন না দেখলে বোঝা মুশকিল কতটা সুন্দর লাগে। এনজেপি থেকে দার্জিলিং গামী যেকোনও শেয়ার গাড়িতে দার্জিলিং এসে সেখান থেকে আবার শেয়ার গাড়িতে পাত্তাবং চা বাগানে পৌঁছে যাওয়া যায়। জোরথাং মোড় হয়ে বিজনবাড়ি থেকেও আসা যায় এখানে।
এনজেপি থেকে সরাসরি গাড়ি ভাড়া করেও আসা যায়। থাকার জায়গা বলতে হোমস্টে। আবার চাবাগানেরক ভেতরেও থাকার জায়গা রয়েছে। সেটি আরও সুন্দর। । কাজেই ঘুরে আসুন এমনই একটি জায়গা থেকে। বর্ষাকালে পাহাড় যে কতটা সুন্দর হয় সেটা এখানে না এলে বোঝা মুশকিল।












Click it and Unblock the Notifications