Travel: কাশফুল দেখতে দেখতে চলে আসুন মাঠা ফরেস্ট, কলকাতার কাছে পুজোর ছুটি কাটানোর সেরা জায়গা
পুজোয় কলকাতার ভিঁড়ে ঠাকুর দেখতে ইচ্ছে করছে না। বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছে একেবারে অফবিট লোকেশনে। বর্তমানে পর্যটকদের কাছে পরিচিত গন্তব্য হয়ে উঠেছে পুরুলিয়া। শীতের মরশুম পরলেই পুরুলিয়ায় ভিঁড় করেন পর্যটকরা। কিন্তু অনেকেই মাঠা ফরেস্ট দেখেননি।
পুরুলিয়ার একেবারে নতুন এক পর্যটন কেন্দ্র মাঠা ফরেস্ট। এখানে পৌঁছতে হাড়া স্টেশন থেকে পুরুলিয়াগামী যেকনোও ট্রেনে আগে পৌঁছে যেতে হবে পুরুলিয়ায়। তারপরে পুরুলিয়া স্টেশনের বাইরেই গাড়ি ভাড়া করে চলে আসুন মাঠা ফরেস্টে। কালো পিচের রাস্তা অসাধারণ চারপাশের সৌন্দর্য। উত্তরবঙ্গের থেকে কোনও অংশে কম মনোরম নয় এই মাঠা ফরেস্ট।

পুজোর চারদিন যাঁদের কলকাতা পছন্দ নয় তাঁদের জন্য সেরা জায়গা এই মাঠা ফরেস্ট। কলকাতা থেকে বেিশ দূরেও নয়। অনেকেই প্রশ্ন করবেন হঠাৎ করে মাঠা নাম হল কেন। কারণ এই জায়গা থেকে পাহারের মাথা দেখা যায় সেই থেকেই নাম হয়েছে মাঠা ফরেস্ট।
এই ফরেস্টে রয়েছে সুন্দর একটি রিসর্ট। সেখানে টেন্টের ব্যবস্থাও রয়েছে। পাহাড়ের একেবারে নীচেই এই রিসর্ট কােজই সর্বক্ষণই পাহাড়ের দর্শন মেলে। এই মাঠা ফরেস্টে আবার অনেক কিছু দেখার রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম হল মার্বেল লেক। সেই মার্বেল লেক যাওয়ার রাস্তায় দুধারে কাশফুলের সারি মুগ্ধ করবে সকলকে। সেই জায়গায় সকলেই গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়বেন।

কাছেই রয়েছে ময়ুর আর পাখি পাহাড় নামে দুটি পাহাড়। পাখি পাহাড়ের নাম অনেকেই শুনেছেন। এই দুই পাহাড় পেরিয়ে পৌঁছে যেতে হবে মার্বেল লেক। মার্বেল পাথরের মাঝে হ্রদ তৈরি হয়েছে। অসম্ভ সুন্দর এই মার্বেল লেক। রোদের আলোয় ঝলমল করে হ্রদটি। এই হ্রদে অনেকে স্নানও সেরে নেন।
মার্বেল লেকের কাছেই রয়েছে একটা জলপ্রপাত। সেই ঝরনায় স্নান করতে ইচ্ছে করবে না এমন পর্যটক খুব কমই মিলবে। সেখান থেকে চলে আসুন খয়রাবে়ড়া ড্যামে। ড্যামের স্থির জলে পাহাড়ের প্রতিচ্ছবি অসাধারণ লাগে। কাছেই আবার রয়েেছ মুখোস গ্রাম। সেখানে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে মুখোস কিনে ফিরে আসুন রিসর্টে। অসাধারণ কাটবে পুজোর চারটে দিন।












Click it and Unblock the Notifications