Travel: দার্জিলিংয়ে ঠাঁই নাই, দুর্ধর্ষ গরমে ঘুরে আসুন অরণ্যের শীতল ছায়ায়
গরমে কঠিন পরিস্থিতি। আরও গরম বাঁচতে পাহাড়ে ছুটছেন সকলে। দার্জিলিংয়ের ম্যাল ধর্মতলায় পরিণত হয়েছে। কোথাও কোনও হোটেল পাওয়া যাচ্ছে না সব বুক হয়ে গিয়েছে। ভোট নিয়ে আর মাথা ঘামাচ্ছেন না কেউ। গরম থেকে বাঁচতে ব্যাগ গুছিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন তাঁরা পাহাড়ে।
উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ পাহাড়েই এখন ঠাঁই নাই দশা। দক্ষিণ বঙ্গের বাসিন্দারা গরম থেকে বাঁচতে পারি দিচ্ছেন পাহাড়ে। দুটো দিন ঠান্ডায় জিরিয়ে নিয়ে আসতে চাইছেন তাঁরা। কাজেই এই গরমের ছুটিতে পাহাড়ে বুকিং পাওয়াই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে যাবেন কোথায়। অনেকেই ভেবে পাচ্ছেন না। তবে এই গরমে কিন্তু জঙ্গলও মন্দ জায়গা নয়। গাছের সমাহারে গ্রীষ্মের দাহদাহ অতোটা এখানে অনুভূত হয় না। বেশ একটা গাছের ছায়ায় নিরিবিলিতে কাটিয়ে দিতে পারবেন কয়েকটা দিন। দার্জিলিংয়ের ম্যালের ভিড়ও পাবেনি না।
এমনই একটি অচেনা জায়গা হল ডুয়ার্সের মালঙ্গি। অনেকেই জানেন না এই জায়গাটির কথা। এটি আসলে চিলাপাতা ফরেস্টের মধ্যেই পড়ে। বনদফতরের থাকার জায়গাও রয়েছে এই জঙ্গলের মধ্যেইষ। মূলত বনদফতরের বাংলোটির নামই মালঙ্গী। সেকারমে এই জায়গাটিকে সকলে মালঙ্গী বলেই জানেন।
চিলাপাতা জঙ্গলের এই প্রান্তে খুব বেশি পর্যটক যান না সেকারণে এই জায়গাটির নামও সকলে জানেন না। এখানে অনায়াসে হাতিরা আনাগোনা করে। কাজেই বনবাংলোয় থাকলে যে কেবল প্রাণের আরাম হবে তাই নয় হাতিদেখার রোমাঞ্চও উপভোগ করতে পারবেন। অর্থাৎ গরম থেকে মুক্তির পাশাপাশি রোমাঞ্চের সফরও হবে এখানে এলে।
ৃৃৃৃৃসেকারণে আর দেরি না করে এখানে চলে আসুন। বনদফতের অনলাইন ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন এখানে বুকিংয়ের যাবতীয় তথ্য। শিলিগুড়ি থেকেও আসতে পারেন আবার নিউ মাল জংশন থেকেও এখানে আসা যায় খুব বেশি দেরি লাগবে না এখানে পৌঁছতে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গাড়িতে এখানে পৌঁেছ যেতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications