ISRO’s NISAR mission: নাসার সঙ্গে জুটি ইসরোর, নিসার মিশন শুরু হবে ২০২৪ থেকেই
নাসার সঙ্গে জুটি বেঁধে এবার মহাকাশ অভিযানে নামতে চলেছে ইসরো। ইসরোর সেই নিসার মিশন শুরু হবে ২০২৪ থেকেই। ইসরো এবার মহাকাশ গবেষণায় সাফল্যের দুয়ার খুলতে চায়। আর এর মধ্যে যদি আগামী মাসে চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযান পদার্পণ করতে পারে, তাহলে আর কথাই নেই!
মহাকাশ গবেষণায় এখন পর্যন্ত সবতেকে বেশি সাফল্য পেয়েছে নাসা। সাবেক সোভিয়েত রাশিয়া নাসাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মহাকাশ গবেষণা চালাচ্ছিল। এখন চিন নাসার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মহাকাশে যাত্রা করছে। এখন পর্যন্ত চাঁদ বা ভিন গ্রহে মহাকাশযান নামাতে পেরেছে এই তিন দেশই।

ভারত চাইছে চতুর্থ দেশ হিসেবে এই মর্যাদা লাভ করতে। তা সম্ভব হবে যদি চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদে নামতে পারে। তবে ইসরো এর মধ্যে সৌর অভিযানেও নামার পরিকল্পনা করেছে। আর ২০২৪ সাল থেকে তারা নাসার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে নিসার মিশনে নামবে।
নাসা ও ইসরো যৌথ উদ্যোগে নাসা-ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার স্যাটেলাইট মিশন শুরু করবেয নিসার ইউটিলাইজেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে এই মিশন শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে ইসরোর তরফে। শুক্রবার এই মর্মে ইসরোর তরফে একটি প্রেস বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
নিসার মিশনের মাধ্যমে পৃথিবীর জটিল প্রক্রিয়াগুলি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। মহাকাশের উচ্চ রেজেলিউশনের ছবি তোলা সম্ভব হবে। নিসার এমন একটি রেডার, যা সর্বক্ষণ চোখ রাখবে পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা নিয়েও তা আভাস দিতে সক্ষম। কোথায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতে চলেছে, তার পূর্বাভাস মিলবে এই কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে।

দাবানলের পরিস্থিতি থেকে শুরু করে পরিবেশ দূষণের হাল হকিকতও দেখা যাবে নিসার মিশন থেকে। নিসার স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে হিমবাহের পরিস্থিতির খবরও দেবে। অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়ন থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তনের খুঁটিনাটিও মিলবে এই মিশনের ফলে।
ইসরো জানিয়েছে, এটি তিন বছরের মিশন। এই মিশনে কৃষি, বন, জলবায়ু, হিমবাহ, দুর্যোগ নিয়ে নিসার উপগ্রহ তথ্য পাঠাবে। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, নিসার মিশনে সহযোগী হওয়ার জন্য বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতেই এই মিশনের পরিকল্পনা। ২০১৪ সাল থেকেই এই পরিকল্পনা চলছিল।












Click it and Unblock the Notifications