বাংলার মতো পঞ্জাবেও বিভাজন হয়েছিল, ব্রাত্যকে ইতিহাস ঝালিয়ে নেওয়ার পরামর্শ তথাগতের
দুই সাংসদ পৃথক রাজ্যের দাবি তোলার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পার্টিলাইন স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তারপর তথাগত রায় ফেসবুক বার্তায় বাংলা ভাগ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য পেশ করলেন।
দুই সাংসদ পৃথক রাজ্যের দাবি তোলার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পার্টিলাইন স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তারপর তথাগত রায় ফেসবুক বার্তায় বাংলা ভাগ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য পেশ করলেন। তিনি লিখলেন, বাংলার মতো পঞ্জাবেরও বিভাজন হয়েছিল, তারপর কি পঞ্জাব ভেঙে হরিয়ানা হয়নি?

বিজেপির প্রবীণ নেতা তথাগত রায় বাংলা ভাগ বিতর্কে একহাত নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে। সরাসরি নাম করেই তিনি লিখলেন, ব্রাত্য বসু একটু ইতিহাস ঝালিয়ে নিলে ভালো করবেন। তাঁর এই ফেসবুক বার্তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নয়া বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপিকে এই মর্মে ইতিহাস তুলে কটাক্ষ করেছিলেন ব্রাত্য।
ভোট মিটতেই বঙ্গভঙ্গের দাবি তুলেছেন বিজেপির দুই সাংসদ। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লা উত্তরবঙ্গ নিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি তোলেন। আর তারপর বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ দাবি তোলেন রাঢ়বঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার। এই দুই সাংসদের দাবিকে আবার সমর্থন করে বসেন উত্তরবঙ্গের দুই বিধায়ক।
এরপর দিলীপের ঘোষের স্পষ্ট বার্তা দেন পার্টি লাইন মেনে চলতে হবে। তাঁর এই স্পষ্ট বার্তার পরও তথাগত রায় ফেসবুকে সরব হন। লেখেন, সাংসদরা কেউ কউ চাইছেন উত্তরবঙ্গ ও রাঢ়বঙ্গ আলাদা হোক। এগুলোকে গুরুত্ব দেবার কোনও দরকার নেই। কিন্তু বাংলার মতো হিন্দু-শিখের স্বার্থে পঞ্জাবও বিভাজন হয়েছিল। তারপর পঞ্জাব ভেঙে হরিয়ানা হয়ছিল।
এরপরই তিনি খোঁচা দেন ব্রাত্য বসুকে। বলেন, একটু ইতিহাস ঝালিয়ে নিলেন ভালো করবেন। উল্লেখ্য, বাংলাভাগ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, একদিকে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করছে, অন্যদিকে বাংলা ভাগ করার দাবি জানাচ্ছে। বিজেপির মধ্যে কোনও ইতিহাস চেতনা নেই। এটা হাস্যকর দ্বিচারিতা।












Click it and Unblock the Notifications