আনিসের জন্য রাস্তায়, কিন্তু শিকারি মুড়ার জন্য কী হবে? আদিবাসী যুবকের মৃত্যু নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী
রাজ্য সরগরম আমতার আনিস খানের (anish khan) হত্যা নিয়ে। পরিবারের অভিযোগের পাঁচদিন পরে রাজ্য পুলিশের তরফে আনিসকে হত্যার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করার কথাও জানানো হয়েছে। তবে শুধু এই ঘটনাই
রাজ্য সরগরম আমতার আনিস খানের (anish khan) হত্যা নিয়ে। পরিবারের অভিযোগের পাঁচদিন পরে রাজ্য পুলিশের তরফে আনিসকে হত্যার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করার কথাও জানানো হয়েছে। তবে শুধু এই ঘটনাই নয়, এরই মধ্যে পুলিশি (police) হেফাজতে নির্মম অত্যাচারে মৃত্যুর অভিযোগে সরব রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই ঘটনা পুরুলিয়া (purulia) জেলার।
|
হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা পুলিশি হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন। টুইটে তিনি অভিযোগ করেছেন শারীরিক নির্যাতনের ফলে এক তরতাজা যুবক প্রাণ হারিয়েছে। এর জন্য কি কেউ রাস্তায় নামবে না, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলেছেন এই মৃত্যুর জন্য কি কোনও প্রতিবাদ সংগঠিত হবে না? তিনি আরও প্রশ্ন করে বলেছেন, নামটা শিকারি মুড়া বলে, সে কি কৌলিন্যের রশ্মি পাবে না? তিনি শিকারি মুড়ার মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন।
|
পুলিশি হেফাজতে হত্যা
শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, পুলিশের হাতে মৃত্যুর মতো ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের আনাচে-কানাচে প্রতিদিনই ঘটছে। কিন্তু সব খবর সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে না। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুরুলিয়া বাগমুণ্ডির বাসিন্দা শিকারি মুড়া আদিবাসী যুবক। আফগারি দফতর তাঁকে গ্রেফতার করে। এর পরে তাঁকে হাজতে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
|
আনিসের পরিবারে পাশে থাকার আশ্বাস
এদিনও শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তিনি আনিসের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিবার যদি আইনি সহায়তা চায় তাহলে তিনি সেব্যাপারে সাহায্য করতেও প্রস্তুত। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে রাজ্য উত্তরা সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুর তদন্তে এবং সুবিচারের দাবিতে। তিনি বলেছেন, পুলিশ এই হত্যা করেছেন এবং প্রকৃত দোষীদের আড়াল করছে। সেই কারণে মহানগরের রাস্তার বিক্ষোভ হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি সিবিআই তদন্তের দাবিতে আনিসের পরিবারের পাশে থাকার কথাও জানিয়েছিলেন।

আনিসের হত্যাকাণ্ডে ২ আইপিএসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন
মঙ্গলবারেই শুভেন্দু অধিকারী নিচুতলার পুলিশকর্মীদের সাসপেনশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেছিলেন, হাওড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ সরকার এবং হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার সৌম্য রায়ের নির্দেশেই আনিসের খুনের বিষয়টি সংগঠিত হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ ছিল, নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের ফোন করে খুন করতে বলা হয়েছে। যাঁরা এঁদের পাঠিয়েছে, তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইএএস, আইপিএসদের বাঁচানোর চেষ্টা করে যাবেন। একমাত্র সিবিআইই এব্যাপারটি সমাধান করতে পারে বলেও মত প্রকাশ করেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications