Panchayat Election 2023: ভোট এলেই চোট, ঘাসফুল বদলে হুইল চেয়ার! মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর, টুপি না পড়ার ডাক
Panchayat Election 2023: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোটকে তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আজ রামনগরের নির্বাচনী জনসভায় বলেন, ভোট এলেই চোট!
শুভেন্দুর কথায়, শুনলাম তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীক চিহ্ন বদলে হুইল চেয়ার হয়েছে। দেওয়াল লিখন করতে হবে। লিখতে হবে হুইল চেয়ারে ভোট দিন। নন্দীগ্রাম অবশ্য টুপি পড়েনি। ওঁকে হারিয়ে বাড়ি পাঠিয়েছি।

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, এমারজেন্সি ল্যান্ডিংয়ে যে কেউ ভয় পান। প্রেসার মাপানো যায়। সেবকের এয়ার বেসে হেঁটে এলেন। সেনাবাহনীকে ধন্যবাদ জানালেন। তারপর হাসপাতালে গিয়ে এমআরআই করানো, হুইল চেয়ারে বসা, এ সব ড্রামাবাজি বন্ধ হওয়া উচিত। নন্দীগ্রামে ভালো পায়ে প্লাস্টার করিয়েছিলেন। রাজ্যকে ভড়কে দিলেও আমাকে হারাতে পারেননি।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, উনি বারবার সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেন। কেন সেনাবাহিনী গাড়ি গণনা করছে, সেজন্য উনি নবান্নে রাত জেগেছিলেন, সে সব মানুষ ভোলেননি। ১২ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেও উনি নিশ্চিন্ত নন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হারের আশঙ্কা করছেন।
মুখ্যমন্ত্রী বললেই জোড়াফুল চিহ্ন বদলে তৃণমূলকে হুইল চেয়ার চিহ্ন মাতাল নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা দিয়ে দেবেন বলেও মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, উত্তর দিনাজপুর ও বীরভূমে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা নিশ্চিত করতে পুলিশের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিককে পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুভেন্দু বলেন, আমরা বিজেপিকে জেতানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছি না। মানুষ পছন্দের প্রার্থীদের জেতাবেন। পুরুলিয়ার জেলাশাসক বিডিওদের বলেছিলেন ডাবল বাক্স ও অতিরিক্ত ব্যালট ছাপাতে। দুই অতিরিক্ত জেলাশাসক প্রতিবাদ করায় তাঁদের রাতারাতি ট্রান্সফার করা হয়েছে। কেন এ সব করছেন?
আরাবুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর খান, শওকত মোল্লা, শেখ শাহজাহানদের মতো তৃণমূলের নেতাদের কোমরে বাড়ি মেরে যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের ঘরে রাখুক, দাবি শুভেন্দুর। তিনি বলেন, আগেরবার বিজেপি ২৩ হাজার প্রার্থী দিতে পেরেছিল। এবার দ্বিগুণেরও বেশি দিয়েছে। ৪৭ হাজার প্রার্থী রাখতে পেরেছি। ৫৪ হাজার মনোনয়ন জমা পড়েছিল। সন্ত্রাস না হলে ৬০ হাজার আসনে বিজেপি প্রার্থী দিত।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট সেমিফাইনাল। শুভেন্দু তার প্রেক্ষিতে বলেন, এটা কোয়ার্টার ফাইনাল। সেমিফাইনাল লোকসভা নির্বাচন। তাতে অন্তত ৩৫ আসনে জিততে হবে। ১৮ আসনকে বাড়িয়ে ৩৬ করতে হবে। তার তিন মাসের মধ্যে এ রাজ্যে সরকার বদল হবে। কাঁথি, তমলুক, আরামবাগ ও ঘাটালে তিনি না থাকলে তৃণমূল জিতত না বলেও দাবি শুভেন্দুর।
এদিনের সভায় শুভেন্দু বলেন, ভাইপোর বিষয়টি আমাদের উপর ছেড়ে দিন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রাজ্যে ২৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। সব দুর্নীতিবাজদের জেলে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতিবাজদের জেলে পাঠানোই আমাদের লক্ষ্য। বিজেপি সেটিং অপোজিশন নয়।












Click it and Unblock the Notifications