Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Digha: 'শুভ মহরত' মেনে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন মমতার, প্রসাদ পাঠানো হবে বাংলার ঘরে ঘরে

Digha Jagannath Temple: প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হাত ধরে অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্যতিথিতে বুধবার দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন হয়ে গেল। বেলায় দেবদেবীদের বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। মাহেন্দ্রক্ষণে মন্দিরের উদ্বোধনের আগে শিল্পী ও স্থপতিদের অভিনন্দন জানালেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যাঁরা ৩ বছর ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সকলের সহযোগিতা না পেলে এই মন্দির করা যেত না।"

অক্ষয়তৃতীয়ার পুণ্য তিথিতে দুপুর ৩টে থেকে ৩টে ১৫ মিনিট পর্যন্ত শুভ সময়। তার মধ্যেই মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মন্দিরের দরজা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। মমতা জানান, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিন দারুব্রহ্ম মূর্তির পুজো হবে। মঙ্গলবার ধ্বজা ওড়ানো হয়েছে। গত ৭ দিন ধরে কলসযাত্রা থেকে যজ্ঞ হয়েছে। জগন্নাথ মন্দির ধর্মীয় তরঙ্গ তৈরি করবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

mamata jagannath

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বাংলার বাড়ি বাড়ি যাবে। মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটনের আগে এমনটাই জানালেন মমতা। পাশাপাশ এও বলেন, "আমার মতে, এই মন্দির আগামী হাজার হাজার বছর তীর্থস্থান ও পর্যটনস্থল হিসেবে উন্মাদনার প্লাবন তৈরি করবে। এই মন্দির সকলের জন্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, সবারে করি আহ্বান।" উল্লেখ্য, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে পুরীর মন্দিরের মতো কোনও পোশাকবিধি রাখা হয়নি। পাশাপাশি,পুরীর মন্দিরের ন্যায় অহিন্দুদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিঘার মন্দিরে রাখা হয়নি।

মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করে গর্ভগৃহ পর্যন্ত পৌঁছন মমতা। সোনার বেশে সুসজ্জিত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহের সামনে পর্যন্ত গিয়ে আরতিও করলেন মুখ্যমন্ত্রী। হাতে নিয়ে দেখেন সোনার ঝাড়ু। উল্লেখ্য, পুরীর মতোই দিঘার মন্দিরে এই সোনার ঝাড়ু দিয়েই পরিষ্কার করা হবে। আর তা উপহার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। মন্দিরের অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ ১ টাকা দিয়েছেন তিনি।

দিঘার সৈকত সরণির পাশে ২০ একর এলাকা জুড়ে রাজ্য সরকার ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে তৈরি করেছে জগন্নাথ মন্দির। মঙ্গলবার মহাযজ্ঞ শেষে বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটার মধ্যে বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা শুরু হয়। কাঠের মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন পুরীর মন্দিরের সেবায়েত রাজেশ দৈতপতি ও অন্যান্য পুরোহিতরা। পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন ইসকনের সেবায়েতরা। এরপর জগন্নাথদেবের স্নান ও নতুন বেশ পরানো হয়। পুরীর মন্দিরের মতোই ৫৬ ভোগের রীতি মানা হয়।

Take a Poll

দ্বারোদ্ঘাটন পর্বের আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কার্যত চাঁদের হাট লক্ষ্য করা যায় মন্দির প্রাঙ্গণে। সঙ্গীত পরিবেশন করেন তৃণমূল বিধায়ক তথা শিল্পী অদিতি মুন্সি। সঙ্গে ছিলেন দেব, প্রসেনজিৎ, নচিকেতা। মমতার লেখা গান পরিবেশন করেন জিৎ গাঙ্গুলি। এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন নচিকেতা চক্রবর্তী ও শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচি, ইমন চক্রবর্তী। নৃত্য পরিবেশন করেন ডোনা গাঙ্গুলি। টলি ইন্ডাস্ট্রির একাধিক তারকারা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+