Mahalaya: বৃষ্টি নিয়েই সূচনা হল দেবী পক্ষের, মহালয়ার ভোর থেকেই ঘাটে ঘাটে তর্পণ
অবশেষে সূচনা হল দেবীপক্ষের। বৃষ্টির মধ্যেই দেবীপক্ষের সূচনা হল। ভোর থেকেই ঘাটে ঘাটে পিতৃতর্পণের ভিড়। পিতৃপুরুষকে জল দান করে শারদোৎসবের সূচনা হল গোটা রাজ্যে। উৎসবের সূচনার মাঝেই আরজি কর কান্ডের রেশ জিইয়ে রেখেছেন আন্দোলনকারীরা। মহালয়ার ভোর দখলের কর্মসূচি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।
অনেক ঘাটেই দেখা গিয়েছে অভয়ার বিচার চেয়ে পোস্টার হাতে দাঁড়িয়েছেন প্রতিবাদীরা। অর্থাৎ অভয়ার শাস্তির দাবি নিয়েই উৎসবের সূচনা হল। এবারের উৎসবে প্রতিবাদে ছোঁয়া যে রয়েই যাচ্ছে সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। গতকাল সারা রাত শহরে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাতে সামিল হয়েছিল নাগরিক সমাজও। অর্থাৎ উৎসবের আবহের মধ্যেই প্রতিবাদের সুর এবার শোনা যাবে।

এদিকে বৃষ্টির ভ্রুকুটি তো রয়েইছে। এবারের পুজো যে একেবারে বৃষ্টিমুক্ত হবে সেকথা নিশ্চিত করতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। উল্টে জেলায় জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অনেক জেলাতেই বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি কতরা হয়েছে। কাজেই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই পুজো দেখতে হবে এবার।
দুর্গাপুজো যে এবার একেবারেই বৃষ্টিমুক্ত হবে না সেই ইঙ্গিত আগেই দিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সেই সঙ্গে মহালয়ার দিন সকাল থেকেই রাস্তায় আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের ন্যায় বিচারের দাবিতে পথে নেমেছেন নাগরিক সমাজ। জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি তো চলছেই। তার সঙ্গে চলছে আন্দোলনও। এমন মহালয়া গোটা রাজ্য আগে দেখেনি।
প্রতিবাদের সুর নিয়েই শারদোৎসবের সূচনায় গোটা রাজ্যে। কলকাতা শহর থেকে জেলায় জেলায় প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। আজ ফের থ্রেটকালচারের প্রতিবাদে মহামিছিলের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। শ্যামবাজার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। সমাজের সর্বস্তরে থ্রেট কালচারের প্রতিবাদে এই মহামিছিল তাঁরা করবেন বলে জানা গিয়েছে।
প্রতিবাদের সুর নিয়েই শারদোৎসবের সূচনায় গোটা রাজ্যে। কলকাতা শহর থেকে জেলায় জেলায় প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। আজ ফের থ্রেটকালচারের প্রতিবাদে মহামিছিলের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। শ্যামবাজার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। সমাজের সর্বস্তরে থ্রেট কালচারের প্রতিবাদে এই মহামিছিল তাঁরা করবেন বলে জানা গিয়েছে।
আরজি কর হাসপাতালের নির্যাতিতা মৃত তরুণী চিকিৎসকের আত্মার শান্তি কামনা করে অনেকেই তর্পণ করেছেন। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যকেও দেখা গিয়েছে তর্পণ করতে। তিনি জানিয়েছেন আত্মার শান্তি নয় আত্মার সদগতি কামনা করেছেন তিনি। কারণ প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পেলে তবেই অভয়ার আত্মা শান্তি পাবেন।












Click it and Unblock the Notifications