এবার প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ালো রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর
প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় আরও অনেকের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে বাঁকুড়ার কোতুলপুরের প্রাক্তন বিধায়ক, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সর্বোপরি বাঁকুড়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি শ্যামল সাঁতরার। আদালতে পেশ করা সিবিআই-র চার্জশীট অনুযায়ী ২২ জনের চাকরীর 'সুপারিশ' করেছেন তিনি।
শনিবার এবিষয়ে শ্যামল সাঁতরার প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'ফালতু কথা', ২০১৪ সালের জুন মাসে আমি বিধায়ক হয়েছি, এটা তার আগের ঘটনা। একই সঙ্গে বেছে বেছে 'অনগ্রসর শ্রেণীর নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে' দাবি করে তিনি বলেন, নিজেদের ভোট ধরে রাখতে বিরোধীরা এসব 'কূৎসা-অপপ্রচার' করছে।

অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'যেই তালিকা তৈরী করুননা কেন সেই তালিকা ভুয়ো ও ভিত্তিহীন'। ২০১৪ সালের জুন মাসে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় গিয়ে সব কিছু জানতে ও সবার সাথে পরিচয় হতে দু'বছর সময় লেগেছে, এখন 'অনগ্রসর শ্রেণীর নেতা নিধনে' নেমছে বিরোধীরা বলেও শ্যামল সাঁতরা ফের দাবি করেন। তবে এবিষয়ে সিবিআই তলব করলে তিনি যাবেন ও তদন্তে পূর্ণ সহযোগীতা করবেন বলেও জানান।
এবিষয়ে বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, আমরা আগেই বলেছি 'তৃণমূলের নেতারা কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে'। ওই দলের শ্যামল সাঁতরা এখন সিবিআইকে বলা উচিৎ 'উনি সুপারিশ করলেও আসল মাল মশলা কে নিয়েছিল ও সেখান থেকে ওপরে কতো শতাংশ গিয়েছিল।' একই সঙ্গে 'কার হুকুমে' তিনি সুপারিশ করলেন ও কেন মাত্র ২২ জনকেই সুপারিশ' করলেন সে নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাঃ সুভাষ সরকার। এছাড়াও এই মুহূর্তে শ্যামল সাঁতরার কাছে 'সূবর্ণ সুযোগ' সব কিছু পরিস্কার করে সিবিআইকে জানানোর বলেও তিনি দাবি করেন।
সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দলের বাঁকুড়া জেলা কমিটির সম্পাদক দেবলীনা হেমব্রমের দাবি, 'তৃণমূল মানেই দুর্নীতি'। তবে শ্যামল সাঁতরাকে যদি 'ফাঁসানোই হয়ে থাকে তবে তা তাঁকেই প্রমাণ করতে হবে'। এমনকি বর্তমান শাসক দলের নেতা নেত্রীদের বিপুল পরিমান সম্পত্তির উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এছাড়াও দুর্নীতির সঙ্গে 'জাতিগত' কোন যোগ নেই, দুর্নীতি-দুর্নীতি বলেই তিনি স্পষ্ট করেই জানান।












Click it and Unblock the Notifications