Heavy Rain Alert: বৃষ্টিতে ভাসছে কলকাতা, বন্যা পরিস্থিতি বহু জেলায়! বাতিল ছুটি, খোলা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম
Heavy Rain Alert: ভারী বৃষ্টিতে ভাসছে দক্ষিণবঙ্গ! কলকাতা সহ বিভিন্ন অংশে প্রবল বৃষ্টি একনাগাড়ে চলে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে শহর এবং শহরতলির বিভিন্ন অংশে জল জমতে শুরু করেছে। জেলাগুলির অবস্থা আরও খারাপ। জলে ডুবে গিয়েছে নিচু ব্রিজ থেকে শুরু করে বহু বড় রাস্তা। এর মধ্যেই জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি সহ বিভিন্ন জলাধার। যা বন্যার আশঙ্কা ক্রমশ বাড়াচ্ছে। আর এই অবস্থায় সমস্ত জেলাশাসকদের ছুটি (Heavy Rain Alert) বাতিল করা হল।
এক সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির উপর কড়া নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। শুধু সতর্কতামুলক ব্যবস্থাও যাতে নেওয়া হয় সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যসচিব। লাগাতার বৃষ্টি এবং সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (West Bengal CM)। এরপরেই ভার্চুয়ায় মাধ্যমে সমস্ত জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব।

শনিবার দুপুরেই উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক হয়। যেখানে পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নের তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জেলাস্তরে এবং মহকুমাস্তরে কন্ট্রোল রুম যাতে খোলা হয় সেই নির্দেশও এদিন জেলাশাসকদের দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে তৈরি রাখা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে হঠাত বন্যা কিংবা বড় কোনও ঘটলে দ্রুত যাতে ত্রাণ সামগ্রী এবং অন্যান্য জরুরি ব্যবস্থা পৌঁছানো সম্ভব হয়, তা এখন থেকেই যাতে প্রস্তুত রাখা হয় এদিন সেই নির্দেশও জেলাশাসকদের দিয়েছেন মুখ্যসচিব। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন ঝাড়খণ্ডের ওপরে যে নিম্নচাপ ছিল তা আরও ঘনীভূত হয়েছে এবং গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে উত্তর ঝাড়খণ্ডের ওপরে অবস্থান করছে। এই অবস্থায় আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। ইতিমধ্যে গত তিন দিন ধরে প্রবল বৃষ্টি চলে যাচ্ছে। শুক্রবার রাত থেকে বৃষ্টির পরিমান আরও বেড়েছে। প্রবল বৃষ্টির ফলে কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকাতে জল জমে গিয়েছে।
এমনকি কলকাতা বিমানবন্দরের বিমান পার্কিং বে তে জল জমে গিয়েছে। পাশাপাশি এপ্রোন এলাকায় জল জমে আছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে বিমানবন্দরের রান ওয়েতে কোনও জল নেই। এই অবস্থায় ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়েছে। সকাল থেকে ৪৮ হাজার কিউসেক হারে জলা ছাড়া হয়েছে। জল ছাড়া হয়েছে দুর্গাপুর জলাধার থেকেও। ফলে বাংলার বিভিন্ন অংশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা।












Click it and Unblock the Notifications