• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ষষ্ঠী থেকে দশমী, দুর্গা পুজোর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে চোখ বুলিয়ে নিন

বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গা পুজো। তা নিয়ে কতই না প্রস্তুতি, সাজগোজ। টানা এক বছর পর ফের বাপের বাড়িতে ফিরলেন মা উমা। দেবীকে স্বাগত জানানোর কোনও সুযোগই ছাড়তে রাজি নন আম বাঙালি। মস্ত বড় প্যান্ডেল, প্রতিমা নিয়ে জাঁক তো আছেই, রীতি মেনে দুর্গা পুজোর প্রতিটি নিয়ম বা আচার অনুষ্ঠান নিখুঁত ভাবে করার ক্ষেত্রেও বাঙালির জুরি মেলা ভার। পিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের সূচনা হয় মহালয়ায়। তারপর চলে উৎসব। সেই দুর্গোৎসবের বিভিন্ন রীতির তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট এক নজরে দেখে নিন।

মহাষষ্ঠী

মহাষষ্ঠী

পুরাণ মতে, দেবী দুর্গা ও তাঁর সন্তান-সন্ততিরা (লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গনেশ) এই দিনই মর্ত্যভূমিতে পা রাখেন। কল্পারম্ভের পুজো দিয়ে শুরু হয় আচার। বোধন এবং অধিবাসের মাধ্যমে দেবী দুর্গার মূল পুজো শুরু হয়। কোথাও কোথাও অকাল বোধনের মাধ্যমেও শুরু হয় দেবী দুর্গার আরাধনা।

মহা সপ্তমী

মহা সপ্তমী

কলা গাছের চারাকে গনেশের স্ত্রী কল্পনা করে সাজানো হয়। ভোর হওয়ার আগেই সেই কলা বউকে স্নান করিয়ে, লালপাড় সাদা শাড়ি পরিয়ে গনেশ মূর্তির পাশে স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে এদিনই দেবী দুর্গার নয়টি রুপের প্রতীক হিসেবে নয় ধরনের গাছ (নবপত্রিকা) একত্রিত করা হয়। মহা সপ্তমীর সকালে নিকটস্থ নদী বা জলাশয়ে নিয়ে গিয়ে নবপত্রিকাকে স্নান করানো হয়। নতুন শাড়ি পরিয়ে দেবী দুর্গার ডান দিকে নবপত্রিকাকে কাঠের সিংহাসনে বসানো হয়। এরপর মহাস্নানের মাধ্যমে দুর্গোৎসবের মূল অনুষ্ঠানের প্রথাগত সূচনা হয়। দুর্গা প্রতিমার সামনে দর্পন রেখে (কখনও জল ভর্তি কলস রেখে) তাতে প্রতিফলিত প্রতিবিম্ব শুদ্ধ দল দিয়ে স্নান করানো হয়।

মহাষ্টমী

মহাষ্টমী

এদিনই পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে দেবী দুর্গাকে মনের বাসনা ব্যক্ত করা হয়। মহাষ্টমীর দিন চামুণ্ডা রূপে দেবীকে পুজো করা হয়। এদিনই বিভিন্ন মন্দিরে চালকুমড়ো, চিনি বলি দেওয়ার রীতি চালু আছে।

 কুমারী পুজো

কুমারী পুজো

প্রধানত বয়ঃসন্ধিতে না পৌঁছনো কিশোরীদের দেবী রূপে পুজো করা হয় দুই বাংলায়। আজ এর প্রচলন কমে গেলেও, হাওড়ার বেলুড়, বাংলাদেশের ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, সিলেট, হবিগঞ্জ ও দিনাজপুরের রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পুজোর চল রয়েছে। সে পুজোয় পুণ্যার্থীদের ভিড় হয় দেখার মতো। পুরাণে বর্ণিত আছে যে এক সময় স্বর্গ-মর্ত্যে অধিকার কায়েম করে কোলাসুর। তার অত্যাচারে বিপন্ন হয় দেবতা-কুল। উদ্ভুত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে মহাকালীর শরণাপন্ন হন দেবগণ। তাঁদের আবেদনে সাড়া দিয়ে দেবী কালী কুমারী রূপে পুনর্জন্ম নেন। এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধের পর ওই কুমারীর হাতে কোলাসুরের নিধন হয়। এরপর থেকে মর্ত্যে কুমারী পুজোর প্রচলন হয় বলে পুরাণে বর্ণিত।

 মহা নবমীর সন্ধি পুজো

মহা নবমীর সন্ধি পুজো

পুরাণ মতে, সন্ধিপুজো দুর্গাপুজোর অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়। অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট ও নবমী শুরুর ২৪ মিনিট অর্থাৎ মোট ৪৮ মিনিট সময়কে সন্ধিক্ষণ বলা হয়। এই সময়ই নাকি চিন্ময়ী দুর্গা পূজিতা হন মুণ্ডমালিনী চতুর্ভূজা চামুণ্ডারূপে। কারণ ঠিক ওই সময় দেবী দুর্গার ললাট থেকে জন্ম নেওয়া চামুণ্ডা, অসূর শুম্ভ ও নিশুম্ভকে বধ করেছিলেন বলে পুরাণে বর্ণিত আছে। এই মাহেন্দ্রক্ষণে সন্ধিপুজোর রীতি বহু প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। বলা হয়, যত্ন নিয়ে এই পুজোর উপাচার মানলে মহাফল লাভ হওয়া নাকি সময়ের অপেক্ষা।

বিজয়া দশমী

বিজয়া দশমী

আশ্বিন মাসের শুক্লা পক্ষের দশমী তিথিতে শ্বশুরবাড়ি কৈলাসে পাড়ি দেন দেবী দুর্গা। বিষাদের সুরেই সেইদিনে বিজয়া পালন করেন মর্ত্যবাসী। পুরাণে কথিত আছে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ও ৯ রাত্রি যুদ্ধ করার পর দশম দিনে জয় লাভ করেন দেবী দুর্গা। সেই জয়কেই চিহ্নিত করে বিজয়া দশমী। একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে সেই জয় উদযাপন করা হয়। চলে কোলাকুলি। নারী শক্তির জাগরণে সিদুঁর খেলায় মেতে ওঠেন বাঙালি ঘরের সধবা মহিলারা।

অপরাজিতা পুজো

অপরাজিতা পুজো

পুরাণ মতে, অপরাজিতা আরাধনা দুর্গাপুজোরই অন্য অঙ্গ। কারণ, উমা তথা দুর্গার অন্য নামই নাকি অপরাজিতা। তবে এই দেবীর মূর্তি অন্যরকম। অপরাজিতা চতুর্ভূজা। হাতে শঙ্খ, চক্র, বর ও অভয়মুদ্রা শোভিত, ত্রিনয়না ও মাথায় চন্দ্রকলা সম্বলিত এই দেবী নীল বর্ণা বলে পুরাণে কথিত। দেবী দুর্গার বিসর্জনের পর পুজো মণ্ডপের ইশান কোণে অষ্টদল পদ্ম এঁকে অপরাজিতা লতা রেখে পুজো করা হয়।

[ আগামী বছরের পুজো কবে পড়ছে! ২০২০ দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট একনজরে দেখে নিন]

[ কীভাবে বালাকোটে জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়েছিল ভারত, ভিডিও প্রকাশ করল বায়ুসেনা]

English summary
Durga Puja Ritual in West Bengal
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more