গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন মমতাই, অখণ্ড পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে সওয়াল করে নিশানা দিলীপের
গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন মমতাই, অখণ্ড পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে সওয়াল করে নিশানা দিলীপের
দাবি উন্নয়নের। তা করতে গিয়ে উত্তরবঙ্গকে (north bengal) দক্ষিণবঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করার দাবি তুলেছেন বিজেপি (bjp) সাংসদ জন বার্লা (john barla)। তাঁকে একদিকে যেমন সমর্থন জানিয়েছেন অপর বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খান, ঠিক তেমনই সমর্থন করেছেন উত্তরবঙ্গেরই দুই বিধায়ক। যা নিয়ে অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন আলাদা রাজ্যের দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) নিশানা করে, অখণ্ড পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh)।

বাংলাভাগের দাবি বিজেপির অন্দরে
বিজেপির অন্দরে বাংলাভাগের দাবি উঠেছে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লা উন্নয়নের জন্য উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য কিংবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি তুলেছেন। বলেছেন উত্তরবঙ্গে ভাস বিশ্ববিদ্যালয় নেই। উত্তরবঙ্গে এইমস তৈরির কথা থাকলেও তা চলে গিয়েছে কল্যাণীতে। তাঁকে সমর্থন করতে গিয়ে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, রাঢ়বঙ্গেও উন্নয়ন হয়নি। এদিন জন বার্লাকে সমর্থন করেছেন উত্তরবঙ্গের দুই বিধায়ক আনন্দময় বর্মণ এবং শিখা চট্টোপাধ্যায়।

বাংলা ভাগের পক্ষে নয় বিজেপি
দলের সাংসদের বাংলা ভাগ করার দাবি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ওটা ব্যক্তিগত কথা। কেননা বিজেপি কোনওদিন বাংলা ভাগের পক্ষে ছিল না, এখনও নেই। তাই বাংলাকে ভাগ করার কোনও প্রশ্নই আসছে না।

মমতাকে নিশানা দিলীপের
এদিন বাংলা ভাগ নিয়ে দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেছেন, যদি কেউ বাংলা ভাঙার কথা বলে থাকেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিং গিয়েছিলেন। আর পার্বত্য পরিষদ নিয়ে তিনি যে চুক্তি করেছিলেন, সেখানে গোর্খাল্যান্ডের দাবি থেকেই গিয়েছে। বিষয়টিকে অস্বীকার করা হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টিকে রেখেই সই করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর আরও দাবি, বিজেপি বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ তোলা যাবে না।

মমতার আঁচলের তলায় বিমল গুরুং
বিমল গুরুং-এর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, তিনি (বিমল গুরুং) যখন বিজেপি সঙ্গে ছিলেন, সেই সময় বিজেপি বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন তো বিংল গুরুং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায় লুকিয়ে আছেন। তিনি বলেন, বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে ইউএপিএ-সহ সহ বিভিন্ন ধারায় একের পর এক করা হলেও, এখন সব চাপা পড়ে গিয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের মানুষ বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলকে জবাব দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications