পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার চার্জশিটে পাঁচু রায়ের নাম, একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য CBI-র
একই দিনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, একই দিনে ইন্টারভিউ এবং একই দিনে নিয়োগ পত্র। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিটে পাঁচু রায়ের নাম দিয়ে এমনই গুরুতর অভিযোগ করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি চার্জশিটে জানিয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায় করোনা কালে যে নিয়োগ করিয়েছিলেন তাতে ব্যপক দুর্নীতি রয়েছে।
করোনার মধ্যেই রাতারাতি দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ২৯ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। তাতে নাকি নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনও কিছুই মানা হয়নি। রাতারাতি নিয়োগ করা হয়েছিল। একই দিনে বিজ্ঞপ্তি। তারপরেই ইন্টারভিউ এবং নিয়োগ পত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আলিপুর সিবিআই আদালতে এই চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। চার্জশিটে কেবল পাঁচু রায় নয় অয়ন শীলের নামও রয়েছে। অয়ন শীলের এজেন্সির মাধ্যমে একাধিক পুরসভায় নিয়োগ হতো বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কত টাকার বিনিময়ে এই নিয়োগ গুলি হয়েছিল তার কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে প্রথম অয়ন শীলের নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তদন্তকারীরা প্রথম অয়ন শীলের সল্টলেকের বা়ড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখানে তল্লাশি চালাতে গিয়েই বেশ কিছু ওএমআর শিট পেয়েছিলেন তাঁরা। তারপরে হুগলির বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়ে একই ওএমআর শিট উদ্ধার করেন। তার পরেই পুরনিয়োগ দুর্নীতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
প্রায় ২৮ পাতার নথিতে বেশ কিছু কোড পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। তাতে উত্তর নম্বর, দক্ষিণ দমদম এবং নিউ ব্যারাকপুর পুরসভার নথিও ছিল। ইতিমধ্যেই পাঁচু রায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। এবং তাঁকে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরাও করেন তাঁরা। তদন্তে তাঁরা জানতে পেরেছেন পুরসভা গুলিতে একাধিক পদে নিয়োগ করা হতো অয়ন শীলের এজেন্সির মাধ্যমে।












Click it and Unblock the Notifications