কেউ ফেল নয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকস্তরের ১০০ শতাংশ পাস
কেউ ফেল নয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকস্তরের ১০০ শতাংশ পাস
করোনা কালে স্নাতক স্তরেও ১০০ শতাংশ পাস কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। মাধ্যমিক , উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর এবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরেও পাস করানো হল সব ছাত্রছাত্রীদের। মঙ্গলবারই প্রকাশিত হয়েছে স্নাতক স্তরের চূড়ান্ত ফলাফল। তারপরেই জানা যায় ১০০শতাংশ ছাত্রছাত্রীই পাস করেছে। বিএ, বিএসসি, বিকম অনার্স, জেনারেল ও মেজরের ষষ্ঠ অর্থাৎ চূড়ান্ত সেমেস্টারের ফলপ্রকাশ হয়েছে। অনলাইনেই দেখা যাচ্ছে ফলাফল। www.wbresults.nic.in এবং www.exametc.com এই দুটি ওয়েবসাইটের রোল নম্বর দিলেই পরীক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারছেন। প্রায় ১ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় এবার অনলাইনে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। ৩১ অগাস্টের মধ্যে স্নাতক স্তরের ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। উচ্চ শিক্ষা দফতরও বিশ্ববিদ্যালকে সেই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই ৩১অগাস্ট ফলাফল প্রকাশ করা হয়।একসঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষার ফলাফল জানার চেষ্টা করলে যাতে ওয়েবসাইট বসে নাযায় তা সারাদিন নজরে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য করোনা সংক্রমণের কারণে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের। মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের সময় ১০০ শতাংশ পরীক্ষার্থীকে পাস করানোর কথা ঘোষণা করেছিল মধ্য শিক্ষা পর্যদ। তাই নিয়ে প্রবল সমালোচনা হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরীক্ষা না দিয়েই ১০০শতাংশ পাস করানো হয়েছে বলে কটাক্ষ করা শুরু হয়েছিল ছাত্রছাত্রীদের।
উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষাও এবার হয়নি করোনা সংক্রমণের কারনে। কিন্তু প্রথমে ফল প্রকাশের সময় ৯০ শতাংশ পরীক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছিল। পরে জেলায় জেলায় পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ১০০ শতাংশ ছাত্রছাত্রীকেই পাস করিয়ে দেওয়া হয়। নতুন করে স্কুলগুলিতে সার্টিফিকেট পাঠানো হয়। ছাত্রছাত্রীদের দাবি ছিল,যদি পরীক্ষা না নিয়ে পাস করাতে হয় তাহলে সকলকে কেন পাস করানো হবে না । স্কুলে গিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে ছিলেন তাঁরা। এমনকী রাস্তা অবরোধ করেও বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন তাঁরা।
মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের পর এবার স্নাতকস্তরেও ১০০ শতাংশ পাসের নজির তৈরিহল। তবে এবার করোনা সংক্রমণের কারনে একাধিক বিভাগের সেমেস্টারেরপরীক্ষা হয়নি। এখনও পর্যন্ত কলেজ খোলার কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন পুজোর পরে স্কুল,কলেজ খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব শিক্ষকরদের টিকাকরণসুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications