ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

এখনও গুরুংয়ের ভয়ে ত্রস্ত পাহাড়, ২৪ ঘণ্টায় ভোলবদল ব্যবসায়ীদের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    এখনও গুরুংয়ের ভয়ে কাঁপে পাহাড়। পাহাড়ে বনধের সমর্থনে গুরুং-বাহিনীর পোস্টার পড়তেই পিছু হটে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন। রবিবার থেকে দার্জিলিংয়ে দোকানপাট খোলার কথা থাকলেও, সকাল থেকেই দেখা যায় দোকান-বাজার সব বন্ধ। ব্যবসায়ীদের এই সিদ্ধান্তেই নতুন করে কপালে ভাঁজ প্রশাসনের।

    এখনও গুরুংয়ের ভয়ে ত্রস্ত পাহাড়, ২৪ ঘণ্টায় ভোলবদল ব্যবসায়ীদের

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে পাহাড়ের পরিস্থিতি তুলনায় অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ার পর ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রবিবার থেকে দোকান খোলার। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পরই রাতে ফোন আসে গুরুংয়ের। তিনি হুঁশিয়ারি দেন ব্যবসায়ীদের। তারপর দোকান-বাজার খোলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেন ব্যবসায়ীরা।

    প্রশাসন এদিন ধরেই নিয়েছিল পাহাড়ে দোকানপাট খুলবে। সেইমতোই প্রস্তুত হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু এলাকায় গিয়ে দেখেন অন্য চিত্র। প্রশাসনের তরফ থেকে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করা হয়। খোদ জেলাশাসক গিয়েও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলা ব্যবসায়ীরা কেউই ঝুঁকি নিতে চাননি।

    গুরুংপন্থী মোর্চা নেতারা অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীরা কেউ দোকানপাট খুলতে চান না। রাজ্যের পুলিশ গায়ের জোরে তাঁদের দোকানাপাট খোলার চেষ্টা করে। তাতেই পাহাড় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এদিন। পুলিশ ভয় দেখাচ্ছে বলেও তাঁদের অভিযোগ। পুলিশ-প্রশাসনের পাল্টা অভিযোগ, মোর্চা নেতারাই এলাকা সন্ত্রস্ত করছেন, ভয় দেখাচ্ছেন। সেই কারণেই ব্যবসায়ীরা ভোলবদল করলেন।

    জেলাশাসক জানান, এদিন সমস্ত দোকান খুলবে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি। তবে বেশ কিছু দোকান খুলেছে এদিন। ভয় দেখালে প্রশান কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে এদিন লেবংয়ের কাছে একরটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। মোর্চা কর্মীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ।

    English summary
    Businessmen of Darjeeling change their decision after Bimal gurung’s warning.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more