প্রয়াত ভাই, লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরতে চান না 'লড়াকু' প্রিয়াঙ্কা
প্রয়াত ভাই, লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরতে চান না 'লড়াকু' প্রিয়াঙ্কা
একদিকে যখন লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবড়েওয়াল অন্যদিকে তখন খারাপ খবর পরিবারে। আর এই অবস্থায় কোথাও দমে না গিয়ে সবাইকে নিয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন ভবানীপুরে বিজেপি প্রার্থী। আজ সোমবার একেবারে ঢাক ঢোল বাজিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যান প্রিয়াঙ্কা। আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং সহ একাধিক বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। মনোনয়ন জমা দিয়েই ভবানীপুর উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের হুঁশিয়ারি, এই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাব।

খারাপ খবর এসে পৌঁছয় আইনজীবীর কাছে
তবে একদিকে যখন লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতি চলছে ঠিক সেই সময় খারাপ খবর এসে পৌঁছয় আইনজীবীর কাছে। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শোনার পর কিছুটা হলেও শকড হলেও নিজেকে সামলে নেন প্রিয়াঙ্কা। কর্মীদের উদ্দেশ্যে সাফ বার্তা, ভোটের ময়দান থেকে সরছি না। শুধু তাই নয়, শাসকদল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিলেন হুঁশিয়ারি। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে হেরেছেন উনি ভবানীপুরেও হারবেন। ইতিমধ্যে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। আগামীকাল মঙ্গলবারও এই হোট প্রচার রয়েছে প্রিয়াঙ্কার।

অসুস্থ ছিলেন প্রিয়াঙ্কার ভাই
অন্যদিকে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিল প্রিয়াঙ্কার ভাই। সোমবার সকালে হায়দরাবাদে তার মৃত্যু হয়। সম্প্রতি তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হায়দরাবাদে। সোমবার সকালে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। শোকে কার্যত ভেঙে পড়েছে তাঁর পরিবার। কিন্তু হাল ছাড়তে নারাজ বিজেপি নেত্রী। জানা গিয়েছে, আজ সোমবার রাতেই বিশেষ বিমানে নিয়ে আসা হবে প্রিয়াঙ্কা টিবড়েওয়ালের ভাইয়ের মরদেহ।

জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী
অন্যদিকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরে প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বলেই জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জয় নিয়ে তিনি আশাবাদী। তিনি মানুষের জন্য লড়াই করছেন। বিধানসভা নির্বাচনের পরে তৃণমূল খুনের খেলায় নেমেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ এই সরকার খুনিদের সমর্থন করছে, এরই বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার ডাক দেন তিনি। উল্লেখ্য, সকালে ভবানীপুরের গোলবাড়ি মন্দিরে পুজো দেন প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। তারপর যান আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং-এ মনোনয়ন জমা দিতে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও তাঁর সঙ্গী হয়েছিলেন, ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী এবং শিশির বাজোরিয়ার মতো নেতারাও। এদিন প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে বলতে শোনা যায়, বাংলা বাঁচাও, বাঙালি বাঁচাও স্লোগানকে সামনে রেখে লড়াই করবেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications