মুকুলকে নিয়ে বঙ্গ বিজেপি পঞ্চায়েতের আগে দ্বিধায়! নেপথ্যে রয়েছে ৫ মূল্যবান কারণ
আবার বিজেপিতে আসতে চাইছেন মুকুল রায়। কিন্তু মুকুল রায়কে চাইছেন না রাজ্য বিজেপির কোনো নেতাই। কস্মিনকালেও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা তাঁকে পছন্দ করতেন না। এখনও করেন না। কিন্তু কেন মুকুল রায় ব্রাত্য বিজেপিতে? এর পিছনে পাঁচটি কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মুকুল রায় ২০১৭ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি বঙ্গ বিজেপির অন্যতম মুখ ছিলেন। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করতেন তখন।

রাজ্য বিজেপিতে তখণ মুকুল-কৈলাশ জুটি ছিল একদিকে। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ। এখন দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে সুকান্ত মজুমদার রাজ্য সভাপতি হয়েছেন। এই অবস্থায় দিলীপ ঘোষ বা সুকান্ত মজুমদার বা অন্য কোনো রাজ্য নেতা মুকুলের পক্ষে সওয়াল করার মতো জায়গা নেই। তবে তারা প্রকাশ্যে বলছেন না সে কথা।
আসলে এক পিছনে রয়েছে কয়েকটি কারণ। বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর আসন থেকে জয়ের পর তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়। তারপর মুকুল রায়কে বাদ দিয়েই কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে বিজেপি সংগঠন গড়ে তুলেছে। সেখানে পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুকুলের আবির্ভাব হলে দল বিড়ম্বনায় পড়বে।
মুকুল রায় এখনও অফিসিয়ালি বিজেপির বিধায়ক। দলেরই একজন বিধায়ককে নতুন করে দলে যোগদান করালে সাধারণ মানুষের কাছে ভিন্ন বার্তা যাবে। সেটা বিজেপির কাছে সুখকর হবে বলে মনে হয় না। কারণ তৃণমূল থেকে এসেও যাঁরা ফিরে গিয়েছেন বা দূরত্ব তৈরি করেছেন, তাদের আর দলে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে না।

মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে আদালতে গিয়েছে বিজেপির পরিষদীয় দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সবথেকে বেশি সরব হয়েছেন। এখন সেই মুকুলকে ফিরিয়ে আনতে দলের বিধায়কদেরই বিড়ম্বনায় ফেলে দেওয়া হবে।
মুকুল রায়ের হাত ধরেও অনেকে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। মুকুল রায়ের পরে যে পাঁচ জন বিধায়ক তৃণমূলে গিয়েছেন তাদের কয়েকজনের পিছনে মুকুল রায়ের হাত রয়েছে। তাই মুকুল রায়কে দলে নিলে যাঁরা বিজেপিতে লড়াই করছেন, তাদের অপমান ও অসম্মান করা হবে বলেই মনে করছে বিজেপি।
তারপর মুকুল রায়ের মানসিক স্থিতাবস্থা নেই। তিনি তৃণমূলে গিয়ে একাধিকবার তৃণমীলকে বিড়ম্বনায় ফেলেছেন, তাই বিজেপিতে এসে তিনি যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্বাচনের আগে বিজেপিকে বিড়ম্বনায় ফেলবেন না কে বলতে পারে। তিনি ঠিকঠাক করে গুছিয়ে কথা পর্যন্ত বলতে পারছেন না এখন।

তবু কেন্দ্র যদি চাপিয়ে দেয় এই মুহূর্তে কিছু করার থাকবে না। এটাই বিজেপির দলীয় নীতি। তাই বঙ্গ বিজেপির নেতারা এখন নীরবতা পালন করছেন মুকুলের বিষয়ে। তারা চুপচাপ দেখতে চাইছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কী করে।
-
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটের আগে বিতর্ক, তৃণমূল প্রার্থীর শংসাপত্র নিয়ে হাই কোর্টে বিজেপি প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ -
সকালেই বিজ্ঞপ্তি, রাতের মধ্যেই মনোনয়ন জমা, রাজ্যে ভোটের আবহে তৎপর প্রার্থীরা -
ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে বড় চমক! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন লিয়েন্ডার পেজ, জল্পনা তুঙ্গে -
মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াইয়ে যোগ শাহের, ভবানীপুরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর -
ভোটের আগে বড় চমক, বিজেপিতে যোগ দিলেন লিয়েন্ডার পেজ -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
বাংলায় বিজেপি নাকি তৃণমূল, কারা গড়বে সরকার? কী বলছে সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষা -
ষষ্ঠ সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন! কতজনের নাম রয়েছে? বাদের খাতায় কত জন? -
শোকস্তব্ধ বিজয়গড়! ছেলের শোকে ভেঙে পড়েছেন রাহুলের মা, কেমন আছেন পরিবারের বাকিরা? -
ভোটের ময়দানে প্রস্তুত বিজেপি! আরও ১৩টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা পদ্ম-শিবিরের, কোথায় কে? জেনে নিন -
তৃণমূলের ধাক্কা! মুখ্যসচিব-সহ আধিকারিক অপসারণের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করল হাই কোর্ট, কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল -
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটের আগে বিতর্ক, তৃণমূল প্রার্থীর শংসাপত্র নিয়ে হাই কোর্টে বিজেপি প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ











Click it and Unblock the Notifications