ভোটের ফল প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দল বদল, অযোধ্যায় শক্তি বাড়াল বিজেপি
শক্তি ক্ষয়ের মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে এক 'নির্দল' পঞ্চায়েত সদস্যকে নিজেদের দলে টেনে বিষ্ণুপুরের অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতে শক্তি বৃদ্ধি করলো বিজেপি। বৃহস্পতিবার দলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা দপ্তরে শ্যামল ব্যানার্জী নামে 'নির্দল' পঞ্চায়েত সদস্যের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিল্লেশ্বর সিনহা।
প্রসঙ্গত, ১২ আসন বিশিষ্ট বিষ্ণুপুরের অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতে এবার ৬ টি আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল, পাঁচটিতে বিজেপি ও একটিতে 'নির্দল' প্রার্থী জয়লাভ করেন। এর আগে বুধবার সকালে বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত সলমা মুর্ম্মু নামে এক পঞ্চায়েত সদস্যাকে নিজের দলে টেনে নেয় তৃণমূল। এবার 'প্রাক্তন' তৃণমৃল কর্মী হিসেবে পরিচিত অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪৬ নম্বর আসন থেকে জিতে আসা শ্যামল ব্যানার্জীকে নিজেদের দলে টেনে শাসক দলকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা বিজেপি করলো বলে অনেকে মনে করছেন।

বিজেপিতে আসা 'নির্দল' পঞ্চায়েত সদস্য শ্যামল ব্যানার্জী বলেন, নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল ও তৃণমূলী সন্ত্রাসের জবাব দিতেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন। তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সহ সভাপতি দিব্যেন্দু ব্যানার্জীর দাবি, 'কে কার আদর্শে অনুপ্রাণিত হবে সেটা আমাদের ভাবার বিষয় নয়'। মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে ও তাদের সঙ্গে আছেন বলে তিনি দাবি করেন।
এবার ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০টি জেলা পরিষদই তাঁদের দখলে গিয়েছে। ১৩টি জেলা পরিষদ একেবারে বিরোধী শূন্য। অর্থাৎ একটিও ভোট পায়নি। তারমধ্যে বীরভূম, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া অন্যতম। জঙ্গলমহলকে বিজেপির শক্তঘাঁটি বলে মনে করা হতো। সেই শক্তঘাঁটিতেও এবার ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications