ঝালদা পুরসভাতে সহজ জয় কংগ্রেসের! হস্তক্ষেপ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! আর সেই নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা শাদকদলের। তৃণমূলের হাত ছাড়া হল ঝালদা পুরসভা। দুই নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে একেবারে দারুন জয় কংগ্রেসের। আর এরপরেই কার্যত উৎসবে মেয়ে ওঠেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্ম
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! আর সেই নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা শাদকদলের। তৃণমূলের হাত ছাড়া হল ঝালদা পুরসভা। দুই নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে একেবারে দারুন জয় কংগ্রেসের। আর এরপরেই কার্যত উৎসবে মেয়ে ওঠেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা।

একদিকে যখন কংগ্রেসের চালে বাজিমাত তৃণমূলের। অন্যদিকে পুরসভার এহেন পরিস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার আগরওয়াল৷ আজ সোমবার এই বিষয়ে মেনশন করা হয়। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের বিষয়ে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।
যদিও মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ সংক্রান্ত তথ্য চান প্রধান বিচারপতি। যদিও তা দিতে পারেননি পুরসভার আইনজীবীরা। তাঁরা শীর্ষ আদালতকে জানান, এখনই হাইকোর্টের নির্দেশ কপি ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়নি। আর এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ কীসের ভিত্তিতে তাহলে শুনানি! ২৩ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্টে ঝালদা সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।
সেই বিষয়টি আইনজীবীরা শীর্ষ আদালতকে জানান। আর সেখানে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, হাইকোর্ট পরিস্থিতি অনুযায়ীই নির্দেশ দেবে। প্রয়োজনে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে চেয়ারম্যান আসতে পারেন বলে যদিও পর্যবেক্ষণে জানায় সুপ্রিম কোর্ট। ফলে ঝালদা পুরসভা নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, আজ সোমবার আস্থাভোটে অংশ নেয়নি ৫ তৃণমূল কাউন্সিলর। কাজেই একেবারে বিনা প্রতিরোধেই কংগ্রেস আস্থা ভোটে জয়লাভ করে। ১২ ওয়ার্ডের ঝালদা পুরসভায় ৫টি ওয়ার্ড ছিল কংগ্রেসের দখলে। বাকি ৫টি ওয়ার্ড ছিল তৃণমূলের দখলে আর ২টি ওয়ার্ড ছিল নির্দলের দখলে। এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থন নিয়ে প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেস বোর্ড গঠন করেছিল।
কিন্তু সেই নির্দল কাউন্সিলর তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে আসার কথা ঘোষণা করতেই সংকটে পড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ভোট। বলে রাকজা প্রয়োজন, ঝালদা পুরসভার আস্থা ভোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি জটিলতা চলছিল। সম্প্রতি আস্থাভোট করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট । আর এরপরেই আজ আস্থা ভোট হয়। এবং কংগ্রেসের জয়জয়কার হয়।
তবে প্রাক্তন চেয়ারম্যান যেভাবে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাতে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি কংগ্রেস কিংবা তৃণমূলের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications