বাঁকুড়ার তালডাংরায় ভোটের প্রচারে ভাইফোঁটা কর্মসূচি, কী বললেন তৃণমূল, সিপিএম দুই প্রার্থী?
ভাইফোঁটার দিনে প্রচারে বাঁকুড়ার তালডাংরার তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু। সকালেই বেরিয়ে পড়েন তিনি৷ পাশাপাশি এদিন তিনি এলাকার মহিলাদের থেকেও ফোঁটা নিয়েছেন। এটা কি নির্বাচনী প্রচারে জনসংযোগের একটি হাতিয়ার? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
চলতি মাসেই রাজ্যের ছয় বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। সেই কারণে, প্রচারে জোর দিচ্ছেন শাসক ও বিরোধী নেতৃত্ব। তালডাংরা বিধানসভা এলাকাতেও ভোটের প্রচার চলছে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবুও প্রচার করছেন। এদিন তিনিও সকালেই বেরিয়ে পড়েন এলাকায়।

রবিবার তিনি লক্ষ্মীসাগর এলাকার হরিণ্যাগুড়ি গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে যান। গ্রামের আটচালা-হরিমন্দিরে তৃণমূল প্রার্থীকে ভাইফোঁটা দেন মহিলারা। তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, বিধানসভা এলাকার বোন - দিদিরা চাইছিলেন ভাইফোঁটা দিতে। ১১ টি জায়গায় ভাইফোঁটার আয়োজন তারা করেছেন। প্রচার কর্মসূচির ফাঁকে সারা দিন ভাইফোঁটাতেও তিনি অংশ নেন।
সারা বছই তৃণমূল জনসংযোগ করেন। ফলে নতুন করে তাদের ভাইফোঁটার মাধ্যমে জনসংযোগ করার কিছু নেই। মানুষ তাদের সঙ্গেই আছে, জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। বিরোধীদের প্রতি তিনি খোঁচাও দিয়েছেন। এদিকে এদিন তালডাংরায় ভাইফোঁটার আয়োজন করে বামেরা।
এদিন গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যারা সিপিআইএম প্রার্থী দেবকান্তি মহান্তী সহ অন্যান্যদের ফোঁটা দেন। পাশাপাশি পথচলতি মানুষকে চন্দনের ফোঁটা দেওয়া হয়। প্রত্যেককে মিষ্টি মুখ করানো হয়।
তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী দেবকান্তি মহান্তী উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে নারী পুরুষ সমানাধিকার ও নারী সুরক্ষার বিষয়টিকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আরজি করের ঘটনা রাজ্য সরকার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। বামপন্থীদের জন্য তা সম্ভব হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে কৃষকের সমস্যা সব কিছু নিয়েই বামপন্থীরা বছরভর রাস্তায় থাকে ও থাকবে। সম্পাদক অজিত পতি, সিমলাপাল এরিয়া কমিটির সম্পাদক বিপ্লব দাস মহন্ত প্রমুখ।
এদিন গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যারা সিপিআইএম প্রার্থী দেবকান্তি মহান্তী সহ অন্যান্যদের পাশাপাশি পথ চলতি মানুষকে চন্দনের ফোঁটা দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে মিষ্টি মুখ করান।
তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী দেবকান্তি মহান্তী এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, এই মুহূর্তে নারী পুরুষ সমানাধিকার ও নারী সূরক্ষার বিষয়টিকেই আমরা প্রাধাণ্য দিচ্ছি। আর.জি করের ঘটনা রাজ্য সরকার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, বামপন্থীদের জন্য তা সম্ভব হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে কৃষকের সমস্যা সব কিছু নিয়েই বামপন্থীরা বছরভর রাস্তায় থাকে ও থাকবে বলে তিনি জানান।
সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অমিয় পাত্র বলেন, ভাইফোঁটা কোনও নিষিদ্ধ কর্মসূচি নয়। সারা বছর ভাইয়েরা-বোনেরা এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। বর্তমান পরিস্থতিতে নারী সুরক্ষা যখন প্রশ্নের মুখে৷ তখনও বামপন্থীরা রাস্তায় রয়েছে। মানুষের দাবিকে মান্যতা দিয়েই এই গণ ফোঁটার কর্মসূচি।












Click it and Unblock the Notifications