ফুলাহার নদীর ভাঙন দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রতিমন্ত্রী
মালদহের ফুলাহার নদীতে চলছে প্রবল ভাঙন। সেই এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এলাকার মানুষদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশচন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা, বিধায়ক বিক্ষোভের সামনে পড়বেন! তাই নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।
হরিশচন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের রশিদপুর গ্রামে গিয়েছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী। সেখানেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মূর দিকে পালটা অভিযোগ করেছেন তিনি। এই বিক্ষোভ সাংসদকে ঘিরে দেখানো উচিত৷ দাবি করেছেন তিনি।

জল বাড়তেই ফুলাহার নদীতে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেশ কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। চাষের জমিও যেতে শুরু করেছে। উত্তরবঙ্গের ব্যাপক বৃষ্টির কারণে নদীতে জল বাড়ছে। আর সেই সময় থেকেই শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। বারবার প্রশাসনকে জানানো হলেও, কোনও লাভ হয়নি।
আজ রবিবার প্রতিমন্ত্রী এলাকায় যেতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙন রোধ, পুনর্বাসন সহ একাধিক দাবিতে বিক্ষোভ চলে। ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষরা অভিযোগ করেন, গত বছরও মন্ত্রী এই এলাকায় এসেছিলেন। সেই সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
এখন ভাঙন শুরু হতেই আবার এলাকায় এসেছেন তিনি। কিন্তু এখন কীভাবে তিনি এই ভাঙন রোধ করবেন? ওই এলাকায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ি নদী গর্ভে চলে গিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোথায় থাকবেন তারা? প্রশ্ন তুলে মন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবি তুলেছেন তারা।
এই বিষয়ে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন জানান, লোকসভায় এই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন খগেনবাবু। এই বিক্ষোভ তাঁকে ঘিরে দেখানো উচিত। পাল্টা মন্ত্রীকে কটাক্ষ বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর। বলেন, ওই এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা তিনি করেছেন। ভাঙন রোধের অর্থ চেয়ে রাজ্য সরকার চিঠি করুক কেন্দ্রীয় সরকারকে। সমাধান করা হবে। মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে ফোনেও এই কথা জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications