উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিষেবা না পেয়ে বিক্ষোভ, ভাঙচুর!
ফের সরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর৷ হামলার অভিযোগ। পরিষেবা না পেয়ে হাসপাতালে ভাঙচুরের অভিযোগ এবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কলকাতার আরজি কর, সাগর দত্ত, এসএসকেএমের পর উত্তরবঙ্গের সরকারি হাসপাতালেও হামলার ঘটনা। ফের প্রশ্ন উঠল চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে।
পরিষেবা না পেয়ে বিক্ষোভ রোগীর আত্মীয় পরিজনদের। হাসপাতালে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ। ঘটনায় মহিলা সহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে মেডিক্যাল ফাঁড়ির পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।

একদিকে ১০ দফা দাবিকে সামনে রেখে জুনিয়র চিকিৎসকদের আমরণ অনশন আন্দোলন চলছে। এর আগে চলছিল জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি। তার ওপর সোমবার থেকে ৪৮ ঘন্টার পেন ডাউন কর্মসূচি পালন করছে ফেমা নামে সিনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠন।
এদিকে রোগী সহ রেগীর আত্মীয়রা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা সহ ওষুধ নিতে এসে বিপাকে পড়ে। ডাক্তার লিখে দিলেও ওষুধ পাওয়া যায় না হাসপাতাল থেকে। এমনই অভিযোগ। মঙ্গলবার হাসপাতালে এসেও চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে রোগী এবং তাদের পরিজনদের। ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন রোগীর আত্মীয়রা।
সুপার সঞ্জয় মল্লিকের ঘরের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন হাসপাতাল কর্মী ও রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতালে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে রোগীর আত্মীয়দের একাংশের বিরুদ্ধে। রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগ, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা মিলছে না। বারবার এই বিষয়ে জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
চিকিৎসকদের আন্দোলনের জেরে একাধিক বিভাগে কোনও ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ। মিলছে না ন্যায্য মূল্যের ওষুধ। এদিন সেই বিষয় নিয়েই ক্ষোভের বহি:প্রকাশ হয়৷ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ফাঁড়ির পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। আটক করা হয় একাধিক বিক্ষোভকারীকে।
সুপার সঞ্জয় মল্লিক জানান, এর আগেও একাধিক হাসপাতালে এই ধরনের ঘটনা দেখতে হয়েছে। আরও কত দেখতে হবে, ঠিক নেই। নিরাপত্তাহীনতার বিষয় তো রয়েছেই। এ ব্যাপারে জলপাইগুড়ি সাংসদ জয়ন্ত রায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।












Click it and Unblock the Notifications