কুন্তলের মুখে উত্তরবঙ্গের এক প্রভাবশালী নেতার নাম, নিয়োগ দুর্নীতিতে ৩৯ লক্ষ টাকার লেনদেনের তথ্য ফাঁস
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উত্তরবঙ্গের এক প্রভাবশালী নেতার নাম প্রকাশ্যে
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির স্ক্যানারে উত্তরবঙ্গের প্রভাবশালী নেতা। কুন্তল ঘোষের মুখেই সেই নাম ফাঁস হয়েছে। জেরায় তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন উত্তরবঙ্গের সেই প্রভাবশালী নেতার অ্যাকাউন্ট থেকে। ৩৯ লক্ষ টাকা গোপাল দলপতির স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতির কাণ্ডের টাকা মলদ্বীপ থেকে ভিয়েতনাম পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে বলেছে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

ইডির স্ক্যানারে উত্তরবঙ্গের নেতা
কুন্তল ঘোষের মুখে এবার আরও এক প্রভাবশালী নেতার নাম পাওয়া গিয়েছে। কুন্তল ঘোষ ইডির জেরার মুখে জানিয়েছে উত্তরবঙ্গের এক প্রভাবশালী নেতার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গিয়েছে গোপাল দলপতির স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে। মুম্বইয়ে একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে সেই টাকা। তার মধ্যে গোপাল দলপতির স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ৩৯ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। গোপাল দলপতিকেও আজ তলব করে জেরা করা হয়েছে। গোপাল দলপতির বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

কালীঘাটের কাকু
এদিকে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় ভদ্র আজ সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলেছেন তিনি জানিয়েছেন, কুন্তল ঘোষকে তিনি চিনতেন। তাঁকে কুন্তল কাকু বলেই ডাকত। তবে কীভাবে সেটা কালীঘাটের কাকু হয়ে গেল তা তিনি জানেন না। আবার সজয় ভদ্র জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর সুসম্পর্ক ছিল। এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তিনি তাঁর মেয়ের চাকরির জন্য বলেছিলেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন। তবে ৭৭ সালের আগে তিনি কংগ্রেস করতেন।

অভিষেকের সঙ্গে যোগ
কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে অভিষেকের যোগাযোগ রয়েছে। অভিষেকের কোনও একটা সংস্থার সঙ্গে তিনি যুক্ত এমনই জানিয়েছেন সুজয় ভদ্র। সেকারণেই তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে। তবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করেছেন সুজয় ভদ্র। তিনি আরও জানিয়েছেন যদি তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে ডাকে তাহলে তিনি পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তাঁর স্ত্রীর অপারেশন হওয়া কথা। সেদিন যদি ডাকে তাহলে তিনি যেতে পারবেন না তবে সেই দিনের বাইরে তিনি যেকোনও দিন ইডি-সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।

কুন্তলই জানে টাকার হিসেব
কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে গিয়েছেন তাপস মণ্ডল। তিনি দাবি করেছিলেন কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েিছলেন তিনি। কারণ কুন্তল ঘোষ টাকা পেয়েছিলেন। অন্যদিকে তাপস মণ্ডলের সঙ্গে চন্দন মন্ডলও নিয়োগ দুর্নীতির কাছে জড়িত। নিজের ছেলেকে বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রঞ্জন মণ্ডলের বিরুদ্ধে। কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে চন্দন মণ্ডলের মাধ্যমে।












Click it and Unblock the Notifications