Train Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫, ট্রেনের বাকি যাত্রীদের জোটেনি খাবার-জল
তুমুল বৃষ্টির মধ্যে হালকা গতিতে চলছিল ট্রেনটি। সকলে তখনও ঘুম থেকে ওঠেননি। কেউ আবার সবে চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছেন। হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনিতে সব কেমন যেন ওলটপালট হয়ে যায়। অনেকে তো সিট থেকে পড়ে গিয়েছিলেন।
ট্রেনের সামনের দিকের কামরার যাত্রীরে একটু ধাতস্ত হয়ে বেরিয়ে দেখেন পিছনের তিনকে কামরা ছিটকে পড়ে রয়েছে রেললাইনের পাশে। রাঙামাটি স্টেশনে থেকে বেরিয়ে এসেছিল তখন কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেনটি। সেখানে আশপাশে কোনও জনবসতি ছিল না। ট্রেনের অন্যান্য কামরার যাত্রীরাই বেরিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। প্রায় ২ ঘণ্টা পরে সেখানে পুলিশ এবং রেলের উদ্ধারকারী দল পৌঁছয় বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬০ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রেলের ১৫টি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁঁছে গিয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর আহত ৩০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। অল্প আহতদের ভর্তি করা হয়েছে ফাঁসিদেওয়া হাসপাতালে। জালপাইগুড়ির সব হাসপাতালে রক্ত কত মজুত রয়েছে তা জানতে চাইল স্বাস্থ্য দফতর।
রেলের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়েছে বাকি ট্রেনটিকে অন্য একটি ইঞ্জিন দিয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাতে বাকি যাত্রীরা নিরাপদে ফিরতে পারেন সেটার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এদিকে ঘটনাস্থলে আটকে থাকা ট্রেনের যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন তাঁরা এখনও কোনও খাবার-জল পাননি। ট্রেনে শিশু-বদ্ধরাও রয়েছেন। তাঁদেরকেও খাবার-জল দেওয়া হয়নি। রেলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
ইতিমধ্যেই রেলের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে। মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা এবং গুরুতর আহতদের ২.৫ লক্ষ টাকা ও আল্প আহতদের চিকিৎসায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য করবে রেল। অন্যদিকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications