পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মহাজোট বিজেপির, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ঐক্যে কারা শামিল
পাহাড়ের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মহাজোট গড়ে ফেলল বিজেপি। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা-সহ পাহাড়ের একাধিক দলের সঙ্গে শনিবারই একপ্রস্থ বৈঠক করেছিলেন। তারপর রবিবারই পাহাড়ি দলগুলিকে নিয়ে আসন্ন নির্বাচনের আগে মহাজোট ঘোষণা করে দিলেন।
পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে ২০ বছর পর। এই অবস্থায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই বাড়তি উৎসাহ নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছিলেন। সেই উৎসাহে বাড়তি মাত্রা যোগ করল বিজেপির নেতৃত্বে মহাজোট। পাহাড়ে তৃণমূল ও বিজিপিএম জোটের বিরুদ্ধে এবার এককাট্টা হয়ে মহাজোট গড়ে লড়াইয়ে নামছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন পাহাড়ের দলগুলি।

পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা-সহ একাধিক রাজনৈতিক দল নিয়ে এই মহাজোট গড়া হয়েছে। বিজেপির নেতৃত্বে পাহাড়ে তৃণমূল বিরোধী মহাজোট গড়ে তোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছিল বিমল গুরুং-এর সঙ্গে বিজেপি সাংসদ রাজু সিং বিস্তের বৈঠকের পর থেকেই।
বিমল গুরুং বিজেপিকে সমর্থনে রাজি হওয়ার পরই বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত দফায় দফায় পাহাড়ি দলগুলির সঙ্গে বৈঠক শুরু করেন। পাহাড়ের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে বিমল গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি, মন ঘিসিংয়ের জিএনএলএফ পার্টি-সহ আরো ছোটো ছোটো পাহাড়ি দলকে নিয়ে বিজেপি এই মহাজোট গড়তে সমর্থ হয়।
বিজেপির সঙ্গে রয়েছে জিএনএলএফ-সহ একাধিক পাহাড়ি দল ছিল। বিজেপি সাংসদ গোর্খা জনমুক্তি ও হামরো পার্টির সঙ্গে বৈঠকের পরই জোটসঙ্গী জিএনএলএফ, সিপিআরএম, অখিল ভারতীয় গোর্খা লিগ-সহ পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক সেরে নেয়।

বিজেপি এখন চাইছে মহাজোট করে পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল ও বিজিপিএমকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে ফেলে দিতে। রাজু বিস্ত খোলাখুলিই বার্তা দেন, এবার আমরা জোট গড়ে তৃণমূল জোটের বিরুদ্ধে লড়ব। তিনি আগের দিনই বলেছিলেন, এটা পৃথক রাজ্যের জন্য নির্বাচন নয়, এই নির্বাচন পাহাড়ের গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নের জন্য।
এদিন বলেন, পাহাড়ের উন্নয়নের স্বার্থে এবং পাহাড়বাসীর স্বার্থে মহাজোট করে আমরা লড়ব। পাহাড়ে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল বিজেপি। তিন তিনবার লোকসভায় প্রতিনিধি পাঠালেও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাই ছিল সেই জয়ের নেপথ্যে। পাহাড়ি দলগুলির সমর্থন নিয়েই এবার পঞ্চায়েতে বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোরদার লড়াইয়ের ময়দানে নামছে।
পাহাড়ে এই মুহূর্তে সবথেকে শক্তিশালী দল হল অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা বা বিজিপিএম। বিজিপিএম তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে বর্তমানে পাহাড়ের প্রশাসক দল। দার্জিলিং পুরসভাও এখন বিজিপিএমের দখলে। একদিকে যখন বিজিপিএম-তৃণমূল, অন্যদিকে বিজেপি ও গুরুংয়ের দল-সহ অন্যান্য পাহাড়ি দল। পঞ্চায়েতে লড়াই এবার জোরদার।
-
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
সীমান্তের ওপার থেকে এবার কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানি মন্ত্রী খোয়াজা আসিফের -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের












Click it and Unblock the Notifications