Anju Bobby George: খেলো ইন্ডিয়ার সৌজন্যে কতটা বদলেছে দেশের খেলাধুলার পরিকাঠামো? ব্যাখ্যা দিলেন অঞ্জু ববি জর্জ
অলিম্পিক্স গেমসের পরিকাঠামোকে উন্নত করতে ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদী সরকার চালু করেছে খেলো ইন্ডিয়া গেমস। বিগত কয়েক বছরে এই প্রকল্পের মাধ্যমে কতটা বদলেছে দেশের খেলাধুলার চিত্রটা। এই প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন অলিম্পিয়ান অঞ্জু ববি জর্জ।
খেলো ইন্ডিয়া সম্পর্কে অঞ্জু ববি জর্জ বলেছেন, 'খেলো ইন্ডিয়ার ভাবনা একেবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এরআগে অ্যাথলিটদের রাজ্য স্তরে বা জেলা স্তর থেকে সাহায্য করা হত। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না। বিশেষ করে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অনেক খামতি থেকে যাচ্ছিল। কিন্তু বর্তমানে ক্রীড়াবিদরা সর্বোচ্চ স্তর থেকে সাহায্য পাচ্ছেন। তাঁরা টপসে সুযোগ পাচ্ছেন, তারা জাতীয় ক্যাম্পে সুযোগ পাচ্ছেন। খেলো ইন্ডিয়া শুধু মাত্র তৃণমূল স্তরেই উন্নতি করছে না একইসঙ্গে অ্যাথলিটরা একটা রূপরেখার মধ্যেও এসেছেন। তাই খেলো ইন্ডিয়াকে নিয়ে আমি ভীষণ খুশি।'

বেঙ্গালুরুতে বসেছে ওপেন ন্যাশনাল অ্যাথলেটিক্সে চ্যাম্পিয়নশিপ। বর্তমানে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার শীর্ষ পদে আছেন অঞ্জু। তিনি এই এই কর্ণাটকের পরিকাঠামো সম্পর্কে বলেন, 'বেঙ্গালুরু একটা ঐতিহাসিক জায়গা, এবার সেখানেই জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে। আমার এখানে অ্যাকাডেমিও আছে। এই শহরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেক দিনের। এটা আমার কাছে হোম টাউনের মতোই।'
আগামী টুর্নামেন্ট সম্পর্কে বলতে গিয়ে অঞ্জু বলেন, চেন্নাইতে জুনিয়র সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং রাঁচিতে সিনিয়ার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে। এখন প্রতিযোগিতার সংখ্যা অনেক বেড়েছে সেই সঙ্গে নতুন প্রতিভা আরও বেশি উঠে আসছে। কারণ জুনিয়র স্তের প্রতিযোগিতার সংখ্যা অত্যন্ত কম। তবে এই ধরনের প্রতিযোগিতাগুলি ভারতরে জুনিয়র অ্যাথলিটদের সাহায্য করবে। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক একটা দিক।
দিল্লি-ইসালামাবাদের মধ্যে কূটনৈতিক সংঘাতের মধ্যেই এই দুটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আসছেন ওয়াঘার ওপারের অ্যাথলিটরাও। এই প্রতিযোগিতাগুলিতে পাকিস্তানের অ্যাথলিটরাও অংশ নেবেন। এই প্রসঙ্গে অঞ্জুর প্রতিক্রিয়া, আসলে খেলাধুলায় কোনও সীমান্ত হয় না। আমরা কখনই দেশ সীমান্ত নিয়ে ভাবি না, এটাই অলিম্পিক্স আমাদের শিক্ষা দেয়। আমরা সব সময় খেলাধুলার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি না।'












Click it and Unblock the Notifications