Sourav On Mamata: দিদিকে এসএমএস করলেই...! মমতাকে নিয়ে কোন অভিজ্ঞতার কথা উচ্ছ্বসিত সৌরভের মুখে?
Sourav On Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অজানা তথ্য আজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তুলে ধরলেন বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকেই। সংক্ষিপ্ত, অথচ আবেগঘন বক্তৃতায়। ক্রিকেটের ভাষায় এ যে কমপ্লিট ইনিংস, টেরিফিক নক!
স্পেন সফরে গিয়ে শালবনীতে ইস্পাত কারখানা করার ঘোষণা করায় রাজ্যের বিরোধী দলগুলির কটাক্ষের মুখে পড়েন। কিন্তু তাতে দমানো যায় না মহারাজকে। আজকের মঞ্চ থেকে নিজের লক্ষ্যে অটল থাকার কথাই স্পষ্ট করে দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

এক মঞ্চে দিদি ও দাদা। দেশ-বিদেশের তাবড় শিল্পপতিরা যেখানে উপস্থিত, সেখানেও মমতা ও সৌরভের আন্তরিকতার বিষয়টি এক আলাদা অনুভূতি, অত্যন্ত আন্তরিকও। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এদিন বলেন, মমতা দিদির স্নেহ, যত্ন খুব মন ছুঁয়ে যায়। তাঁকে কোনও মেসেজ করলে এক মিনিটের মধ্যে উত্তর পাই। দেরি সচরাচর হয় না।
কাজের চাপ, অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেও বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এই গুণটির কথা তুলে ধরার মধ্যে দিয়ে সৌরভ রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিস্থিতির কথাও বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, দিদি সকলের ছোট ছোট বিষয়গুলিতেও খেয়াল রাখেন। আমাকে টিভিতে দেখে মেসেজ করেন ঠিকঠাক খাওয়া-দাওয়া করছি কিনা।
সৌরভ এদিন বলেন, দিদিকে ধন্যবাদ। জানি না কেন তিনি আমাকে এমন মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান। অত্যন্ত সম্মানিত। ভালো লাগে সেই বিশিষ্ট মানুষজনের মধ্যে থাকতে যাঁরা নিজেরা সফল, অনেক তরুণ প্রজন্মের জীবন গড়ে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী-সহ সকলেই যাঁরা এই বাণিজ্য সম্মেলনের সঙ্গে যুক্ত দেখে ভালো লাগে তাঁরা প্রত্য়েকে এই সামিটকে কতটা গুরুত্ব দেন।
সৌরভের কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকেই জানতে পারি কোন কোন বিশিষ্ট শিল্পপতি আসছেন, কারা লগ্নি করছেন। আমি বেড়ে উঠেছি কলকাতাতেই। উন্নয়ন চাক্ষুষ করেছি। চাই ভালো কিছু হোক। যাঁরা বাংলার প্রতি আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেছেন তাঁদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে লগ্নির এই ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান সৌরভ।
মহারাজ বলেন, আমি খেলার জগতে রয়েছি। ১৩ বছর থেকে খেলছি। ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়ন দেখেছি। আজ ভারতীয় ক্রিকেট, ভারতের খেলাধুলো অনেক উন্নত জায়গায় পৌঁছেছে। ক্রীড়াক্ষেত্রকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন মুকেশ আম্বানি, সঞ্জীব গোয়েঙ্কা এবং অবশ্যই যাঁরা সরাসরি না হলেও জড়িত ক্রীড়াক্ষেত্রের সঙ্গে।
সৌরভ বলেন, এই কিংবদন্তিদের মতো বড় আকারে না হলেও আমিও বিনিয়োগ করছি শিল্পক্ষেত্রে। প্রচুর সাপোর্ট পাচ্ছি। উল্লেখ্য, ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকেও সৌরভ আগে জানিয়েছেন, বাংলার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি। যাতে বাংলার মেধা বাংলাতেই থাকে। সমৃদ্ধ হয় বাংলা। সৌরভের চিকিৎসার সময় ছুটে এসেছিলেন ডা. দেবী শেঠি। তাঁকেও এদিনের মঞ্চে দেখতে পেয়ে তাঁর যে ভালো লাগল তা জানাতে ভোলেননি সকলের প্রিয় দাদা।












Click it and Unblock the Notifications