• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

'করোনার থেকে তো এইডস ভালো', লকডাউনে মন্দার বাজারে হতাশার সুর কলকাতার যৌনকর্মীদের

  • |

লকডাউনের জেরে বিশ্ব গেছে থমকে। আর এর মধ্যেই বন্ধ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ যৌনপল্লী সোনাগাছি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জেরে যৌনকর্মীদের রাতের ঘুম উড়েছে।

প্রবল বিপাকে যৌনকর্মীরা

প্রবল বিপাকে যৌনকর্মীরা

আগে যেখানে প্রত্যহ ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ মানুষের ভিড় লেগে থাকতো, লকডাউনের জেরে সেটাই শূন্যে ঠেকেছে। তিনটি গলিতে বিভাজিত সোনাগাছিতে প্রায় ১২,০০০ যৌনকর্মীর বাস। এক কর্মী বিশাখা লস্করের কথায়, "করোনার থেকে এইচআইভি-ও ভালো ছিল।" ২৪শে মার্চ লকডাউনের পূর্বে অধিকাংশ কর্মীই বাড়ি ফিরতে পারেননি, ফলত বাড়ছে দুর্গতি।

করোনা জেরে ভীত খরিদ্দার, সমস্যায় যৌনকর্মীরা

করোনা জেরে ভীত খরিদ্দার, সমস্যায় যৌনকর্মীরা

দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সেক্রেটারি কাজল বোসের কথায়, "এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭০০০ কর্মী বাড়ি ফিরতে পারেনি। এদিকে খরিদ্দাররা কোথা থেকে আসছে তাও জানা যায় না, ফলে আশঙ্কায় যৌনকর্মী হোক বা খরিদ্দার, প্রত্যেকেই একে-অপরের সংস্পর্শে আসা বন্ধ করেছে।" যৌনব্যবসা বেআইনি হলেও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১০মিলিয়ন যৌনকর্মীর বাস বলে জানাচ্ছে সূত্র।

করোনা নিয়ে সচেতন হচ্ছেন যৌনকর্মীরা

করোনা নিয়ে সচেতন হচ্ছেন যৌনকর্মীরা

দুর্বার কমিটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রায় কয়েক দশক ধরে যৌনকর্মীদের নিয়ে কাজ করে চলা ডঃ স্মরজিৎ জানার আওতায় সোনাগাছির যৌনকর্মীরা করোনা নিয়ে সচেতন হচ্ছেন। খরিদ্দারের প্রবেশ ও গমনের পূর্বে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলছে জীবাণুমুক্ত হওয়ার পদ্ধতি। যদিও লকডাউনের পর থেকে বন্ধ সবকিছুই, ফলে প্রশ্ন উঠছে সোনাগাছির ১০১টি ঘরে বন্দি যৌনকর্মীদের জীবন নিয়ে।

সামাজিক মাধ্যমে যৌনকর্মীদের জন্য অর্থসাহায্য সংগ্ৰহ

সামাজিক মাধ্যমে যৌনকর্মীদের জন্য অর্থসাহায্য সংগ্ৰহ

যৌনপল্লী হিসেবে খ্যাত উত্তর কলকাতার হাড়কাটা গলিতে নিত্য অফিসে যাতায়াত করেন সরকারি চাকুরে অর্জুন সেনগুপ্তর। যৌনকর্মীদের অবস্থা নিত্য দেখতে দেখতে তিনি ওঁদের দুর্গতি অনুভব করেন। তারপরেই বন্ধু-সহকর্মীদের সহায়তায় সামাজিক মাধ্যমে যৌনকর্মীদের জন্য অর্থসাহায্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেন তিনি। মাত্র ৩দিনে প্রায় ১.৫লক্ষ অর্থসাহায্য পাওয়ার দরুণ ৪০০কিলো চাল, ২০০কিলো আলু ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে তিনি যৌনকর্মীদের মধ্যে বিলি করেন।

সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভবপর নয় যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে

সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভবপর নয় যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে

সারা বিশ্বে যেখানে একে-অপরের থেকে ৬ফুটের দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হছে, সেখানে সোনাগাছি-হাড়কাটা গলির মত যৌনপল্লীতে এক-একটি ঘরে আতঙ্কে রাত কাটছে প্রায় ১০-১৫জন যৌনকর্মীর। ডঃ জানার উদ্যোগে এইসকল কর্মীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করা হচ্ছে বলে খবর। ডঃ জানা জানান, তাঁর সংস্থা একটি কোয়ারানটাইন সেন্টার তৈরির চেষ্টায় যাতে কোনো কর্মীর উপসর্গ দেখা গেলেই তৎক্ষণাৎ তাঁকে অন্যদের থেকে দূরে রাখা যায়।

সমস্যা আছে, তবুও হাল ছাড়ছেন না যৌনকর্মীরা

সমস্যা আছে, তবুও হাল ছাড়ছেন না যৌনকর্মীরা

দুর্বার মহিলা সমিতির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কলকাতার রোটারাক্ট ক্লাব অর্থসংগ্রহে নেমেছে। ১৯৯০থেকে দুর্বারের সাথে থাকা বিশাখা লস্কর জানিয়েছেন, যৌনপল্লীর ঘরগুলির মালিকদের সাথে কথা বলা হচ্ছে যাতে ঘরভাড়া মকুব করা হয়। তাঁর মতে, "আমরা অনেকেই ঘরে বাচ্ছাদের নিয়ে থাকি। ওদের তো আর ঘরে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তবুও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি কারণ সারাবিশ্ব একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে ভেঙে পড়লে তো চলে না।"

লকডাউনকে বুড়ো আঙুল! নববর্ষে আসানসোলের বাজারে মানুষের ঢল

English summary
Sex workers in Kolkata are experiencing many problems because of increased corona lockdown,
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X