কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে! নির্বাচন কমিশনে ভোটহরণ-প্রশ্নে সরব বিজেপি

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রাত পোহালেই রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। প্রচার পর্ব শেষ। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিও সারা। এই অবস্থায় বিজেপি প্রশ্ন তুলল কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন নিয়ন্ত্রণ করবে রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশনে দরবার করে এই প্রশ্নের জবাব চাইল বিজেপি নেতৃত্ব।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে! নির্বাচন কমিশনে ভোটহরণ-প্রশ্নে সরব বিজেপি

    [আরও পড়ুন:ফেল-কাণ্ডে পার্থর বাড়িতে জরুরি বৈঠকে উপাচার্য, কোন পথে মিলল সমাধান ]

    বিজেপি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দাবি জানায়, ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে সুবন্দোবস্ত করতে হবে কমিশনকে। রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণ তাঁরা মানবেন না। বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও ভোটাধিকার হরণ করে নেওয়া হচ্ছে। তা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকার জন্য। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আর নিরপেক্ষ হওয়া জরুরি।

    শুধু প্রশ্ন তুলেই ক্ষান্ত হয়নি বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা দাবি জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখতে হবে নিরাবচন কমিশনের অধীনেই। নির্বাচন কমিশনের কোনও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকই তা নিয়ন্ত্রণ করবেন। তাহলে শাসকদলের পক্ষে ভোটহরণ করার সম্ভাবনা কমে যাবে।

    বিজেপির অভিযোগ, বামফ্রন্ট আমলেও সাধারণের ভোটাধিকার যেমনভাবে হরণ করা হয়েছে, তৃণমূলের আমলেও সেই ধারা বর্তমান। বামফ্রন্ট শেষ ১৫ বছরে যেভাবে ভোট হয়েছে, তৃণমূল আমলে পাঁচ বছর পর থেকেই একইভাবে ভোট হচ্ছে। এদিন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক দেবশ্রী চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই দাবি জানান বিজেপি নেতারা।

    [আরও পড়ুন:বাংলায় 'নতুন দল' গঠন করল বিজেপি! নব বঙ্গ গঠনে মমতাকে কড়া টক্কর মোদীর]

    English summary
    BJP questions at Election Commission why central force in under state government

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more