Narendra Modi's USA visit: সাম্প্রদায়িক ঘৃণা নিয়ে কথা বলুন! বাইডেনকে আহ্বান আমেরিকার বিশিষ্ট সংবাদ মাধ্যমের
নয় বছরের শাসনে আগে পাঁচবার আমেরিকায় গেলেও এবারই প্রথম রাষ্ট্রীয় সম্মান পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi's USA visit)। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বাইডেন প্রশাসন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে মানবাধিকারের পাঠ দেবে না। তবে ভারতে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা আর গণতন্ত্রের পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে অনুরোধ গিয়েছে বাইডেন প্রশাসনের কাছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন (Narendra Modi's USA visit)। এদিন বিকেলে তিনি রাষ্ট্রসংঘে যোগা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যোগ দেবেন। পাশাপাশি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।

ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই সফরে যেমন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে ঠিক তেমনই মোদীর উদ্বেগজনক গণতান্ত্রিক পশ্চাদপদসরণ নিয়ে চুপ থাকতে পারে না মার্কিন প্রশাসন। এব্যাপারটি তুলে ধরতে বাইডেন প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু জাতীয়তাবাদের ব্যানারে মুসলিম এবং অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতাকে খর্ব করছে। স্বাধীন নাগরিক সমাজের শ্বাসরোধ করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে ওই সংবাদ মাধ্যমে।
মোদীর সফর কালে (Narendra Modi's USA visit) ওই সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার সব স্তরে আইন ও নীতি গ্রহণ করেছে, যা নিয়মতান্ত্রিকভাবে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যমূলক। মুসলিমদের সম্পত্তির ওপরে হামলার করা হলেও কর্তৃপক্ষ দায়মুক্তির কাজ করে। তাদেরকে খুব কমই জবাবদিহি করা হয়।
ওই সংবাদ মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ভিন্নমতের ওপরে হামলার সমালোচনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভারতে সাংবাদিকরা চাপের মধ্যে কাজ করেন। কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আবার অন্যরা অনলাইন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মোদী সরকার মালিকদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে মোদী (Narendra Modi's USA visit)এবং দেশের মুসলিমদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে বিবিসির তৈরি ডকুমেন্টারি তৈরির প্রক্রিয়াকে আটকানোর চেষ্টার অভিযোগ করে বলা হয়েছে দিল্লি ও মুম্বইয়ে বিবিসির অফিসে ট্যাক্স আধিকারিকদের পাঠিয়ে হেনস্থা করা হয়েছে। ওই দৈনিকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এবং সুশীল সমাজের ওপরে ক্র্যাকডাউনের দিকেও ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তবে যেখানে বাইডেন প্রশাসন মোদীকে মানবাধিকারের পাঠ দিতে উৎসাহী নয়, সেক্ষেত্রে এই বিষয়টি সে দেশের সরকার কতটা তুলবে সে ব্যাপারে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications