ঈদের আগে প্রতিবেশীর পাশে ভারত, কলকাতা বন্দর থেকে বাংলাদেশে পৌঁছল বিপুল পরিমাণ চাল
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির টানাপোড়েনের মধ্যেও প্রতিবেশী দেশের পাশে দাঁড়াল ভারত। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে যখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় ঈদ ও রমজানকে সামনে রেখে বাংলাদেশে পাঠানো হল বিপুল পরিমাণ চাল। কলকাতা বন্দর থেকে রপ্তানি হওয়া প্রায় ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে বাংলাদেশের মোংলা বন্দরে।
জানা গিয়েছে, দুটি বিদেশি জাহাজে করে এই চাল পাঠানো হয়। পানামা পতাকাবাহী এইচ টি পাইনিওর জাহাজে ছিল প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল। পাশাপাশি ভিয়েতনামের পতাকাবাহী হোয়াংটন ৮৯ জাহাজে ছিল আরও প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন চাল। সব মিলিয়ে মোট ১৬ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য পৌঁছনোয় উৎসবের মুখে বাংলাদেশের খাদ্য সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের স্থানীয় শিপিং সংস্থা সেভেন সীজ শিপিং এজেন্সির ম্যানেজার আবুল হাসেম শামিম জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমেই এই চাল আমদানি করা হয়েছে। রবিবার সকাল থেকেই মোংলা বন্দরে জাহাজ দুটি থেকে চাল নামানোর কাজ শুরু হয়েছে।
এরপর ছোট জাহাজ ও নৌকার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এই খাদ্যশস্য পাঠানো হবে। দেশের বিভিন্ন গুদামে মজুত করে বাজারে সরবরাহ করা হবে চাল। ঈদের সময় খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় আগেভাগেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এতে বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সহজ হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই সরকারে সরকারে চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে। ভারত ছাড়াও মায়ানমার ও পাকিস্তান থেকেও সিদ্ধ ও আতপ চাল কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮ লক্ষ টন চাল আমদানির লক্ষ্য স্থির করেছে ঢাকা। মোংলা খাদ্য দপ্তরের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার জানিয়েছেন, দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা ও সরবরাহ বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications