ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভয় ধরিয়েছে আমেরিকা, ইউরোপের মনে, স্পষ্ট বক্তব্য পুতিনের
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মতে, ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে বিশ্বশক্তিগুলির অস্বস্তি স্পষ্ট। পশ্চিমী দেশগুলির চাপ সত্ত্বেও ভারত যখন রুশ থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে, তখন ওয়াশিংটনের শুল্ক সংক্রান্ত পদক্ষেপ এবং ভারতের রাশিয়া তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির উদ্বেগ—এগুলি ভারতের অর্থনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির প্রতি তাদের দুশ্চিন্তারই প্রতিফলন।
এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে পুতিন জোর দিয়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক এই চাপ জোগান ও চাহিদা নীতির উপর ভিত্তি করে নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ইউরোপীয় মিত্ররা যখন রুশ তেলের মূল্যসীমা কঠোরভাবে কার্যকর করছে এবং নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল ট্যাঙ্কার ও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে লেনদেন নিয়ে ভারতের মতো দেশগুলিকে নতুন করে সতর্ক করছে, তখনই পুতিনের এই মন্তব্য সামনে এল।

এসব সত্ত্বেও, পুতিন নিশ্চিত করেছেন যে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে জ্বালানি সম্পর্ক স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি বলেন, "এখানে বিষয়টি হল, আপনারা যে চাপের কথা বলছেন, তা সাধারণত রাজনৈতিক হাতিয়ার ব্যবহার করে সাধারণ প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা।" তাঁর মতে, এই দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি পার্টনারশিপের ভিত্তি সুদূরপ্রসারী এবং এটি স্বল্পমেয়াদী ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
পুতিন আরও উল্লেখ করেন, "ভারতের সঙ্গে আমাদের জ্বালানি সহযোগিতা বর্তমান পরিস্থিতি, ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন, বা ইউক্রেনের দুঃখজনক ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি।" ইউক্রেন যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই রুশ তেল সংস্থাগুলি ও ভারতীয় রিফাইনারিগুলির মধ্যে একটি সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলেও তিনি জানান।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট একটি ভারতীয় রিফাইনারিতে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বড় রুশ বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করেন, যা দেশের সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগগুলির একটি। এই রিফাইনারিটি বছরের পর বছর ধরে বৃদ্ধি পেয়ে ইউরোপে পরিশোধিত পণ্যের এক প্রধান সরবরাহকারী হিসাবে ভারতকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে।
তিনি বলেন, "এটা অর্জনে অনেক বছর লেগেছে এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।" পুতিন আরও যোগ করেন, এই ক্ষেত্রে ভারতের উত্থান কিছু নির্দিষ্ট পক্ষের অস্বস্তির কারণ হয়েছে। তাঁর কথায়, "কিছু নির্দিষ্ট পক্ষ সম্ভবত রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে পছন্দ করে না। ফলস্বরূপ, তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বাধা তৈরি করে ভারতের প্রভাব সীমিত করার চেষ্টা করছে।"
ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়েও পুতিন কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং দুজনেই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ঝুঁকি উপলব্ধি করেন। তাঁদের এই সমস্যাগুলির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত, বলে পুতিন মনে করেন। রাশিয়া তাদের এই প্রচেষ্টাকে সম্মান করে এবং এটি তাদের দ্বিপাক্ষিক বিষয় হওয়ায় হস্তক্ষেপের কোনও ইচ্ছা রাখে না।
-
ফের কালবৈশাখীর ছোঁয়া! ঝড় বৃষ্টিতে ভিজবে কলকাতা সহ গোটা বাংলা -
রামনবমীর শোভাযাত্রায় হাইকোর্টের সবুজ সংকেত, তবে মানতে হবে কড়া শর্ত -
নতুন নির্দেশিকায় কড়া কেন্দ্র, নিয়ম না মানলে খোয়া যেতে পারে এলপিজি কানেকশনও! -
শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল? আর মিলবে না টাকা! টিকিট বাতিলে বড় বদল ভারতীয় রেলওয়ের, জানুন নতুন নিয়ম -
তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, অভয়ার মায়ের নাম ঘিরে বড় চমক পানিহাটিতে -
ভোটার তালিকায় গণ্ডগোল ঘিরে উদ্বেগ, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল কমিশনের -
রাজস্থানের পর মালিকানা হাতবদল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুরও, আইপিএলে তৈরি হল নয়া রেকর্ড -
হরমুজ খুলে দাও, পরমাণু কর্মসূচিতে লাগাম, ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে ট্রাম্প, রাজি হবে কি তেহরান? -
ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের নজরে শারীরিক অবস্থা -
এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের সময়সীমা পরিবর্তনের খবর কি সত্যি? আসল তথ্য জানাল কেন্দ্র -
হুমায়ুন-ওয়েইসির জোটের চোখ ১৮২টি আসনে, সংখ্যালঘু ভোট সুসংহত করাই মূল লক্ষ্য -
ভোটার তালিকায় ‘অদৃশ্য' নাম! কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা, উত্তরবঙ্গের মঞ্চে চড়ল রাজনৈতিক পারদ












Click it and Unblock the Notifications