আম্ফানে বাংলার দুর্দশা দেখে মর্মাহত গ্রেটা থার্নবার্গ, কী বললেন তিনি?
আম্ফানের জেরে লন্ডভন্ড হয়েছে গোটা বাংলা। এপার বাংলাতে ক্ষয় খতির পরিমাণ বেশি হলেও ওপার বাংলাতেও কম হয়নি খতি। পশ্চিমবঙ্গে আম্ফানের বলি হয়েছেন ৭২ জন। সেখানে বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৭ জন। এই প্রলয়ঙ্কর ঘটনয় দুঃখ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ নিয়ে আন্দোলন করা গ্রেটা থার্নবার্গ।

এদিন এক টুইটবার্তায় তিনি এই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের জন্য বাংলার খতির কথা তুলে ধরে বলেন তিনি মর্মাহত এবং স্তম্ভিত। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে একদিকে জলমগ্ন কলকাতা বিমানবন্দর৷ তেমনই গোটা শহর কলকাতাই যেন দুমড়ে মুচড়ে তছনছ করে দিয়ে গিয়েছে।
যেদিকেই চোখ যায়, সাইক্লোনের তীব্রতা যে কত ছিল তা দেখা পাওয়া যাবে৷ গাছ পড়েছে, রাস্ত বন্ধ, ভেঙে পড়েছে হোর্ডিং, সিগন্যাল পোস্ট৷ এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ক্ষতচিহ্ন৷ যদুবাবু বাজার চত্বরে গাছ পড়েছে গাড়ির উপরে গাছ পড়ে অবরুদ্ধ হরিশ মুখার্জি রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ সহ দুই কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা৷ ঝড়ের দাপটে ছিড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের তার ৷ গতকাল রাত থেকেই অন্ধকারে ডুবে যায় শহর৷
দক্ষিণবঙ্গে ভেঙেছে ৫ হাজারেরও বেশি বাড়ি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ১০-১২ দিন লেগে যাবে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ রাত থেকেই গাছ কেটে রাস্তা পরিস্কারের কাজে নেমেছে এনডিআরএফ ও পৌরকর্মীরা৷ আরও চারটি এনডিআরএফ-এর দল পাঠানের কথাও বলা হয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications