কোভিড ১৯: করোনা ভাইরাসের দংশন আগামী কয়েক বছর থাকবে! কীভাবে পাল্টে যাচ্ছে জীবনধারা
কোভিড ১৯: করোনা ভাইরাসের দংশন আগামী কয়েক বছর থাকবে! কীভাবে পাল্টে যাচ্ছে জীবনধারা
শুধু স্বাস্থ্য নয়, মানসিক স্বাস্থ্য থেকে আর্থিক স্বাস্থ্য সমস্ত দিক থেকেই করোনা ভাইরাসের দংশন প্রভাব বিস্তার করবে। কয়েক বছর আগের মার্কিন মুলুকে ' ব্যাঙ্ক রাপসি' ও তার ফলে বিশ্বজুড়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রভাব বহুদিন ধরে ছিল। ২০০৮ সালে এইডসের প্রভাবও সুদুরপ্রসারী। আর ২০২০ সালের করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যেই বিশ্বমহামারীর রূপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগের প্রভাব আমাদের জীবন ধারা পাল্টে দিতে চলেছে আগামী কয়েক বছরে।

স্বাস্থ্য সংকট কাঁপিয়ে দিয়েছে অর্থনীতিকে!
উল্লেখ্য, বিশ্বজোড়া স্বাস্থ্য় সংকট কাঁপিয়ে দিয়েছে অর্থনীতিকে। জাপান থেকে শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়া। একাধিক দেশ এই মুহূর্তে প্রবল আর্থিক সংকটের মুখোমুখি। ক্রমাগত পতনের মুখে শেয়ার বাজার। মনে করা হচ্ছে আগামী কয়েক বছর লেগে যাবে, এমন প্রবল আর্থিক সংকটকে কাটাতে। কারণ এখনও পর্যন্ত এই আর্থিক ভয়াবহতার সূচনা হয়েছে মাত্র। যা বহু ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি করেছে শুধুমাত্র মার্কিন মুলুকেই।

বদলে যাবে কাজের ধারার ভাবনা
করোনা ভাইরাসের আক্রমণের জেরে চিনের উহান দেখেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' চেন। ডিজিটাল দুনিয়া এমনভাবে কাজে খানিকটা অভ্যস্ত ছিল। তবে মহামারীর প্রকোপ থেকে বাঁচতে এই কাজের ধারা যে কতটা কার্যকরী হতে পারে , তা আরও একবার সংস্থাগুলি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এর সুবিধার কথা মাথায় রেখে আগামীর কাজ-কর্মের ধারা পাল্টে যেতে চলেছে। আর তার অন্যতম কারণ হয়ে থাকবে করোনা ভাইরাস -আতঙ্কের অধ্যায়।

পর্যটন শিল্প ধ্বসের মুখে!
করোনা আক্রমণের জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পর্যটন শিল্প। একাধিক সফর বাতিল, অন্য দেশের নাগরিক ভিন দেশে গিয়ে মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো আতঙ্ক আগামী কয়েক বছর আমাদের কুঁড়ে খাবে! এমনই বার্তা বিশেষজ্ঞদের। ফেল পর্যটন শিল্পে একটা বড় প্রভাব পড়বে করোনা আতঙ্কের অধ্যায়ের। হোটেলগুলিতে এখন থেকে সচেতন হয়ে একাধিক স্বাস্থ্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে কোন পদক্ষেপ নেওয়া উপযুক্ত তাও ভাবতে হবে! কারণ 'শত্রু এখনও অজানা'!

আর্থিক দিক থেকে দিশেহারা একাধিক দেশের প্রশাসন!
করোনার মতো এমন অজানা শত্রুর সঙ্গে লড়াইয়ে ঠিক কত কোটি টাকা খরচ হতে পারে? এই সম্পর্কে কোনও ধারণাই সহজে করা যাচ্ছে না প্রশাসনিক তরফে। দিনে দিনে বিভিন্ন দেশে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সরকারগুলি 'ক্ষতিপূরণ' দিলেও তার অঙ্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে , তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। অন্যদিকে , রোগ আটকাতে কীকী উপাদান ঔষধি গবেষণায় লাগবে , বা তার খরচ কত, তা নিয়েও রয়েছে সংশয়! সবমিলিয়ে এক অজানা শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ, আগামী কয়েক বছরে আমাদের জীবন পাল্টে দিতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications