• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

সমুদ্র-সৈকতে ‘অলৌকিক’ ঘটনা, সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে এল ফুটফুটে এক শিশু

রাখে হরি মারে কে! বাংলা প্রবাদবাক্যটি আবারও সত্যি হয়ে উঠল এই শিশুর ক্ষেত্রে। অলৌকিকভাবে জীবন ফিরে পেল দেড় বছরের শিশুপুত্র। সমুদ্রে ঢেউ টেনে নিয়ে গিয়েছিল তাকে আবার সেই ঢেউই ফিরিয়ে দিল তাকে। সমুদ্রের ঢেউয়ে ভাসতে থাকা মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ল জীবিত ওই শিশু। আক্ষরিক অর্থেই পুনর্জন্ম পেল সে।

সমুদ্র-সৈকতে ‘অলৌকিক’ ঘটনা, সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে এল বছর দেড়েকের জীবিত শিশু

যে মৎস্যজীবীর হাত ধরে আবার সে জীবন ফিরে পেল, তাঁর কাছে পুরো ঘটনাটাই অবিশ্বাস্য লাগছে। নিজের চোখকেই তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। সত্যিই এও সম্ভব। ওয়েলিংটনের মাতাতা সৈকতের এক দ্বীপে ঘটেছে এই অবাক-কাণ্ড। মৎস্যজীবী গাস হুট মাছ ধরতে গিয়েছিলেন সমুদ্রে। হঠাৎই তিনি লক্ষ্য করে দূরে পুতুলের মতো কী একটা ভাসছে।

কৌতুহলবশতই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। জাল ফেলেছিলেন ওই পুতুল লক্ষ্য করে, তারপরের ঘটনা অলৌকিক। ‌জাল তুলে এনেই তিনি দেখতে পান, উঠে এসেছে এক শিশু পুত্র। বছর দে়ড়েক বয়স হবে। সবথেকে আশ্চর্য ব্যাপার সে জীবিত। সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র। শুশ্রূষার পর একেবারে সুস্থ আছে সে।

কিন্তু কী করে ঘটল এই ঘটনা। কীভাবে সমুদ্রে চলে এল শিশুটি। তা নিয়ে কাটাছেঁড়া হচ্ছিল। খানিক পরেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। ওই শিশুটির নাম মালাচি রিভ। মা-বাবার সঙ্গে সৈকতে এসেছিল সে। সমুদ্রের ধারে তাঁবু করেছিল তাঁরা। শিশুটির বাবা-মা যখন ঘুমাচ্ছিল, তখন কোনওভাবে শিশুটি সমুদ্রের ধারে চলে আসে।

এদিকে মালাচিকে দেখতে না পেয়ে উদ্বিগ্ন দম্পতি খুঁজতে শুরু করে। খানিক দূরে এক শিশউকে পাওয়া গিয়েছে খবর পেয়ে তারা হন্তদন্ত হয়ে ছুটে যান। তারা এরপর মালাচিকে শনাক্ত করেন। নিজের সন্তানকে এভাবে ফিরে পাবেন, তাঁরা ভাবতে পারেননি। মালাচির মা জেসিকা এই ঘটনাকে ঈশ্বরের দান বলে ব্যাখ্যা করেন।

English summary
An infant child is miracle saved who floats on the sea. A fisherman saves him and strange to see him in middle sea of Welington,
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more