১৯৫১ সালের পর দীর্ঘতম গ্রীষ্মের দাপট, উত্তর-পশ্চিম ভারতে লাগাতার তাপপ্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ আবহাওয়াবিদদের
৫০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা এক দিন নয় লাগাতার প্রায় এক মাস ধরে দিল্লি সহ উত্তর পশ্চিম ভারতের সিংহভাগ জায়গা এই পরিস্থিতি। এতো দীর্ঘ সময় ধরে তারপ্রবাহের এই পরিস্থিতি আগে কখনও হয়নি ভারতে। আবহাওয়া দফতর দাবি করছে ১৯৫১ সালের পর এই প্রথম উত্তর পশ্চিম ভারতের প্রায় অর্ধেক এই তীব্র দহনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।
দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান তীব্র গরমে নাজেহাল। তবে শুধু উত্তর পশ্চিম ভারত নয় উত্তর-পূর্ব ভারতেও এই পরিস্থিতি থেকেছে দীর্ঘদিন। শুধু যে দিনের তাপমাত্রা বেড়েছে তা নয় রাতের তাপমাত্রাতেও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। আইএমডির আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন গরম পড়লেও এতোদিন রাতের তাপমাত্রা কম থাকত কিন্তু এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও। রাতের তাপমাত্রাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।

ফলে সূর্য ডুবলও রেহাই পাননি সাধারণ মানুষ। দিনে রাতে প্রায় সমান গরমে নাজেহাল দশা। বিশেষ করে যাঁরা এসির সুবিধা নিতে পারেননি তাঁরা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে দিন কাটিয়েছেন। তারসঙ্গে ঠান্ডা জলের অভাব আরও কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। দিনে এবং রাতে প্রায় সারাক্ষণই পাইপ লাইনের জল গরমও পেয়েছেন দিল্লিবাসী। একে বাইরের গরম হাওয়ার দাপট তার উপরে গরম পাইপলাইনের জল।
চিকিৎসক এবং আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দিনের এবং রাতের তাপমাত্রার ফারাক কমে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীর গরম থেকে রেহাই পাচ্ছে না। দিনের প্রবল দহনে ক্লান্ত শরীর রাতেও গরমে বিধ্বস্ত হয়ে থাকছে। রাতেও তাপমাত্রার কারণে ঘুমোতে পারছেন না অনেকেই। যার জেরে শরীর থেকে ক্লান্তি কখনওই কাটছে না। তাতে আরও ইন্ধন যোগাচ্ছে ঠান্ডা জলের সংকট।
দিল্লি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ দিনে এবং রাতে সবসময় পাইপের জল গরমই পেয়েছেন। শুধু দিল্লি নয় উত্তর পশ্চিম ভারতের সিংহভাগ এলাকাই এবারে দিনে ৪০ ডিগ্রির উপরে তাপমাত্রা থেকেছে। দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাতের একাংশ এবং উত্তর প্রদেশের একাংশের তাপমাত্রা প্রায় ১ মাস ধরেই এই পরিস্থিতির মধ্যে কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।












Click it and Unblock the Notifications