সংসদে তুলকালাম, শতাব্দী ও মিতালিকে আক্রমণের অভিযোগ দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে, পদত্যাগ চাইল তৃণমূল

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের দুই মহিলা সাংসদকে ধাক্কা দেওয়া ও শারীরিকভাবে নিগ্রহের অভিযোগ উঠল দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। মহিলা সাংসদদের উপর এই হামলায় মন্ত্রীদের পদত্যাগ দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ সংসদে সংবিধানের ১৩০তম সংশোধনী বিল পেশের সময় তুমুল হৈ-হট্টগোল শুরু হয়। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল, কংগ্রেস, ডিএমকে-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা। বিলের কপি ছিঁড়ে ফেলে সেই কাগজ ছোড়া হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লক্ষ্য করে। এই গণ্ডগোলের সময়েই দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তৃণমূল সাংসদদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ বলেন, আমরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ওয়েলে নেমে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলাম। আচমকাই কিরেণ রিজিজু ও রভনীত সিং বিট্টু তাঁদের আসন ছেড়ে আমাদের দিকে তেড়ে আসেন। প্রথমে আবু তাহের খানকে ধাক্কা মারা হয়। বিট্টু ও রিজিজু যেভাবে হামলা চালান তা বলতে লজ্জা লাগছে। আমি, শতাব্দী রায় (লোকসভায় তৃণমূলের ডেপুটি লিডার) ও শর্মিলা সরকার ছিলাম। আমাকে ও শতাব্দী রায়কে ধাক্কা মারা হয়। মুখে, হাতে আঁচড়ে দেওয়া হয়। হাতের চামড়া তুলে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কণ্ঠকে রোধ করতে না পেরেই এই আক্রমণ। তবে আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। কণ্ঠনালী কেটে দিলেও প্রতিবাদ দমানো যাবে না।

সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা যেভাবে মহিলা সাংসদদের উপর চড়াও হলেন তাতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত। এই বিল ফেডেরালিজমে আঘাত হানছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চাইছে, অসাংবিধানিক বিল। আমরাই প্রথমে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলাম। পরে কংগ্রেসের কয়েকজন আসেন, অন্য দলেরও। আমি বিলের কপি না ছিঁড়লেও যিনি বা যাঁরা ছিঁড়েছেন তাঁদের কুর্নিশ জানাতে হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+