অপরিবর্তিত থাকছে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মাঝের গ্যাপ জানাল কেন্দ্র
অপরিবর্তিত থাকছে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মাঝের গ্যাপ জানাল কেন্দ্র
সোমবারই একদিনে প্রায় ৮৪ লক্ষ ভ্যাকসিনেশন পক্রিয়া সম্পন্ন করেছে দেশ৷ সারা বিশ্বের নিরিখে এটি একদিনে সবচেয়ে বেশি ভ্যাকসিনেশনের রেকর্ড। ভ্যাকসিনেশনের পরিমান বাড়লেও কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মাঝের ব্যবধানে কমাচ্ছ না বলে জানানো হল কেন্দ্রের পক্ষ থেকে৷
করোনার দ্বিতীয় ওয়েভের মাঝামাঝি সারা দেশে ভ্যাকসিনের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু চাহিদা অনুসারে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন ছিল দেশের স্টকে৷ সেই সময় হঠাৎই কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মাঝের পার্থক্যের সময়কে ৭-৮ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এ নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হয়, বিরোধীরা এখনও দাবি করে নিয়ম মেনে নয় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না থাকায় বাধ্য হয়েই নিজেদের বাঁচাতে মানুষের ক্ষতি করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাই এখন যখন পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে দেশে তখন কী আবার কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মাঝের পার্থক্য কমে যাবে? এই প্রশ্ন রয়েছে অনেকেরই মনে৷ কিন্তু এদিন এই প্রশ্নের সোজাসুজি উত্তর দেওয়া হয় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

ভ্যাকসিনের গ্যাপ নিয়ে কী বলছেন দেশের কোভিড প্যানেলের চেয়ারম্যান?
মঙ্গলবার কোভিড প্যানেলের চেয়ারম্যান ডঃ এনকে আরোরা সাংবাদিকদের বলেন, 'দ্রুত ভ্যাকসিনেশন হল দেশের থমকে থাকা অর্থনীতির তালা খোলার চাবি। তাড়াতাড়ি বেশি সংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া গেলে আমরা আবার আগের মতো নর্মাল জীবনে ফিরতে পারবো। আগামীদিনে প্রতিদিন এককোটি ভ্যাকসিনেশনের লক্ষমাত্রা রয়েছে আমাদের।' এরপরই ডঃ আরোরা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আরও বলেন, 'ন্যাশনাল ভ্যাকসিম ট্র্যাকিং সিস্টেমে আমরা ভ্যাকসিনের কার্যকারীতা, দুটি ডোজের গ্যাপ, মানুষের উপর তার প্রভাব এসবে নজর রাখছি৷ সেখানের তথ্যই বলে দিচ্ছে এখন কোভিশিল্ড আরও ভালো কাজ করছে৷ তাই কোভিশিল্ডের দু'টি ডোজের মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে তা পরিবর্তনের কোনও প্রয়োজন নেই৷ আমাদের প্রধান লক্ষ্যই হল দেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে সুরক্ষিত পদ্ধতিটি অবলম্বন করা৷'

কী বলছেন অ্যাস্ট্রজেনকার বিশেষজ্ঞ গবেষকরা
কোভিশিল্ড যে ফর্মুলায় তৈরি সেই অ্যাস্ট্রজেনকার টিকার ট্রায়ালের প্রধান পর্যবেক্ষ অ্যান্ড্রু পোলার্ড জানিয়েছেন এই ভ্যাকসিন নেবার ২ থেকে ৩মাস পর শরীর সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত থাকে৷ তিনি ভারতের ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের গ্যাপকে সমর্থন করেছেন।

কী বলছেন নীতি আয়োগের সদস্য ডঃ ভিকে পাল?
আগামীতি কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মধ্যের পার্থক্য কি আবার বাড়তে বা কমতে পারে? এই আলোচনাকে জিইয়ে রাখলেন ডঃ ভিকে পাল। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কোনই কিছুই পাথরের উপর খোদাই করা জিনিস৷ নয় গবেষণায় নতুন কোন পদ্ধতি নিয়ম সামনে এলে সেটাকেও মান্যতা দিতে হবে৷ আগামীতে কী হবে সেটা সময় বলবে।'












Click it and Unblock the Notifications