Ram Mandir: ইসরোর প্রযুক্তিতে অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনন্য স্থাপত্যশৈলী! কেন লোহা ও ইস্পাত ব্যবহার হয়নি?
Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধন সোমবার। ইতিমধ্যেই গর্ভগৃহে আনা হয়েছে রামলালার মূর্তি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার কাউন্টডাউন চলছে। রীতি-আচার মেনে রোজই হচ্ছে পূজা-পাঠ।
বহু প্রতীক্ষিত এই মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীও বিশ্বে নজিরবিহীন বলে দাবি করছে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। ভারতীয় স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়েই গড়ে উঠেছে এই মন্দির।

মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সন নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, এই মন্দিরটি এমনভাবে তৈরি হয়েছে যাতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অক্ষত থাকবে এই মন্দির। ভূমিকম্পের আড়াই হাজার বছরের রিটার্ন পিরিয়ডের কথাও মাথায় রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ভূমিকম্পেও কোনও ক্ষতির মুখে পড়বে না নবনির্মিত মন্দিরটি।
মন্দির তৈরির জন্য ইসরোর প্রযুক্তির যেমন সাহায্য় নেওয়া হয়েছে, তেমনই বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীদের পরামর্শ ও সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থাপত্যশৈলীর ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে উত্তর ভারতের মন্দিরগুলির নগরশৈলীকেই। এই মন্দিরের ডিজাইন করেছেন চন্দ্রকান্ত সোমপুরা। ১৫ প্রজন্ম ধরে তাঁদের পরিবার ১০০টিরও বেশি মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী চূড়ান্ত করেছে।
মন্দির চত্ত্বর ২.৭ একরের। তার মধ্যে ৫৭ হজার বর্গ ফুট এলাকাজুড়ে মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে। তিনটি তলা রয়েছে। যেহেতু লোহা ৮০ থেকে ৯০ বছরের বেশি টেকে না সে কারণেই রাম মন্দির নির্মাণে লোহা ও ইস্পাত ব্যবহার করা হয়নি। মন্দিরের উচ্চতা ১৬১ ফুট, যা কুতুব মিনারের উচ্চতার ৭০ শতাংশের কাছাকাছি।
মন্দির তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে উচ্চমানের গ্রানাইট, বেলেপাথর, মার্বেল। জয়েন্টগুলিতে সিমেন্ট বা লাইম মর্টার ব্যবহার করা হয়নি। বিশেষ ধরনের তালা-চাবির মেকানিজম ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন রুরকির সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর ড. প্রদীপ কুমার রামনচারলা।
সরযূ নদী বয়ে চলায় যেখানে মন্দিরটি তৈরি হয়েছে সেখানকার মাটি নিয়ে চিন্তা ছিল। আশঙ্কা ছিল মাটি তেমন শক্ত না হওয়ায় মন্দির বসে যাওয়ার। কিন্তু বিজ্ঞানীরা উপায় বের করে ফেলেন। ১৫ মিটার মাটি খুঁড়ে ফেলা হয়। এরপর ১২ থেকে ১৪ মিটার বিশেষভাবে প্রস্তুতি মাটির আস্তরণ দেওয়া হয়। ৪৭টি আস্তরণ এমনভাবে হয় যাতে ভিত পাথরের মতো শক্ত হয়ে যায়।
ভিতেও কোনও ইস্পাতের রি-বার ব্যবহার করা হয়নি। এই আস্তরণের উপর দেড়় মিটার পুরু এম-৩৫ গ্রেড ধাতবহীন কংক্রিটের ব্যবস্থা করা হয়। এই ভিত আরও মজবুত করতে ৬.৩ মিটার পুরু গ্রানাইট পাথর রাখা হয়, যা আনা হয়েছে দক্ষিণ ভারত থেকে। মন্দিরের যে অংশটি সকলে দেখতে পাবেন সেই পাথর রাজস্থান থেকে আনা হয়েছে। পিঙ্ক স্যান্ডস্টোন যাকে বংশী পাহাড়পুর বলা হয়।
সিবিআরআই জানিয়েছে, গ্রাউন্ড ফ্লোরে ১৬০টি স্তম্ভ রয়েছে। প্রথম তলে সেই সংখ্যা ১৩২, দ্বিতীয় তলে ৭৪। সবই স্যান্ডস্টোন বা বেলেপাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তার বাইরে রয়েছে ভাস্কর্য। গর্ভগৃহটি তৈরি হয়েছে মাকরানা মার্বেল দিয়ে। এটিও রাজস্থান থেকে আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, তাজমহলেও মাকরানা খনির মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছিল। ৫০টি কম্পিউটার মডেলের মধ্যে থেকে বর্তমান ডিজাইনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications