Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

এনসিইআরটি বই বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ, বিচারব্যবস্থা অধ্যায়ে দায় নির্ধারণে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

এনসিইআরটির পাঠ্যবইয়ে 'বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি' অধ্যায় ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার বৈঠকে নরেন্দ্র মোদী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ও দায় নির্ধারণের ওপর জোর দেন। সরকারের শীর্ষস্তরে স্পষ্ট বার্তা এধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে কোনও রকম অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না।

এদিকে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং এর অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইয়ে 'বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি' শীর্ষক অধ্যায় প্রকাশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দুঃখপ্রকাশ করে জানান, বিচারব্যবস্থাকে অসম্মান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। তাঁর কথায়, "যা হয়েছে তাতে আমি অত্যন্ত দুঃখিত।"

এরই মধ্যে কঠোর অবস্থান নেয় সুপ্রিম কোর্ট। আদালত ওই বইটির অনলাইন ও অফলাইন প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিব ও এনসিইআরটি-র ডিরেক্টর দিনেশ প্রসাদ সাকলানি কে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে।

কেন্দ্রের তরফে আদালতকে জানানো হয়েছে, 'বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি' অধ্যায় প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে ইউজিসি বা কোনও মন্ত্রকের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না। সুপ্রিম কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনার কথা জানান। তবে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, পাঠানো নোটিশে ক্ষমাপ্রার্থনার স্পষ্ট ভাষা নেই। তাঁর পর্যবেক্ষণ, এমন বিষয় পড়ানো হলে ছাত্র-। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মনে বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে ভুল বার্তা যেতে পারে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে বিচারব্যবস্থার সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও দুর্নীতি, বিচারাধীন মামলার জট, বিচারকের ঘাটতি ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, বিচারকদের জন্য আচরণবিধি রয়েছে ও আদালতের ভিতরে বাইরে তাঁদের আচরণ সেই বিধির আওতায় পড়ে। পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের আস্থা ফেরাতে কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরে পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ ছিল।

বইটিতে বিচারাধীন মামলার পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১ হাজার, হাই কোর্টগুলিতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ ও জেলা ও অধস্তন আদালত মিলিয়ে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলা ঝুলে রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে এই তথ্য উপস্থাপনা নিয়েই তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক, যার জেরে এখন প্রশাসনিক ও আইনি দুই স্তরেই জবাবদিহির দাবি জোরদার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+