Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রাজনীতি বিধানচন্দ্র রায়ের 'চিকিৎসা' কেড়ে নিতে পারেনি

রাজনীতি বিধানচন্দ্র রায়ের 'চিকিৎসা' কেড়ে নিতে পারেনি

নেতা হয়ে অনেক প্রতিভাবান অভিনেতা হারিয়ে গেছেন৷ খেলোয়াড়রা রাজনীতিতে এসে মাঠে যাওয়া ভুলেছেন এরকম উদাহরণও প্রচুর৷ কিন্তু এসবর মাঝে ব্যতিক্রম ডঃ বিধানচন্দ্র রায়। রাজনীতিতে এসেও যিনি নিজের চিকিৎসক সত্ত্বাকে ভোলেননি৷

পাটনায় জন্মেছিলেন ভারতের এই প্রবাদপ্রতিম চিকিৎসক

পাটনায় জন্মেছিলেন ভারতের এই প্রবাদপ্রতিম চিকিৎসক

প্রতিবেশি রাজ্য বিহারের রাজধানী শহর পাটনায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা বিধানচন্দ্র রায়ে। বাবা পেশায় সরকারি চাকুরে এবং মা ছিলেন সমাজ কর্মী। সমাজকর্মী মায়ের কাছ থেকেই মানবদরদী মন পেয়ছিলেন বিধান। প্রথমে গণিতশাস্ত্র নিয়ে পড়াশুনো করে ডিগ্রি পান ভারতের সর্বকালের চিকিৎসকদের একজন৷ পরে মেডিসিন নিয়ে পড়াশুনোর জন্য ভর্তি হন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে৷

বিধান রায়ের ২৮ টি আবেদনপত্র খারিজ করেছিল ইংল্যান্ডের মেডিকেল কলেজ

বিধান রায়ের ২৮ টি আবেদনপত্র খারিজ করেছিল ইংল্যান্ডের মেডিকেল কলেজ

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময়ই বিদেশে গিয়ে আধুনিক চিকিৎসা শিখতে চেয়েছিলেন ডঃ বিধানচন্দ্র রায়৷ এর জন্য ইংল্যান্ডে সেন্ট বার্থেলোমিউর অধ্যক্ষকে ২৯ টি আবেদনপত্র পাঠিয়েছিলেন৷ যার ২৮টি খারিজ করে দিয়েছিল ইংল্যান্ডের মেডিক্যাল কলেজটি৷

গান্ধীজীর চিকিৎসক ছিলেন বিধান

গান্ধীজীর চিকিৎসক ছিলেন বিধান

সারা ভারতে যে ক'জন মানুষকে গান্ধীজী চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতেন তার একজন হলেন ডঃ বিধানচন্দ্র রায়৷ গান্ধীজীর বন্ধু এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলেন বিধানবাবু৷ মূলত গান্ধীজীর অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে রাজি হন তিনি৷

রাজ্যে একাধিক হাসপাতালের শুরু বিধানবাবুর হাতে

রাজ্যে একাধিক হাসপাতালের শুরু বিধানবাবুর হাতে

বিদেশ থেকে ফিরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাশাস্ত্র শেখানো শুরু করেছিলেন ডঃ রায়। পচিমবঙ্গ সহ সারা ভারতে বিজ্ঞান নির্ভর আধুনিক চিকিৎসা প্রচলনে তাঁর ভূমিকা অনন্য। যাদবপুর টিবি হাসপাতাল, মহিলা ও শিশুদের জন্য চিত্তরঞ্জন সেবা সদন, কমলা নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল, ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন এবং চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালের মতো দেশের অন্যতম সেরা চিকিৎসাকেন্দ্রগুলি স্থাপনে বিধানচন্দ্র রায়ের অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন৷

রাজ্যের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায়

রাজ্যের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায়

বঙ্গবন্ধু চিত্তরঞ্জণ দাশের উৎসাহে ১৯২৩ সালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচনে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন৷ ১৯৩১ এ মহাত্মার ডাকে আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দেন৷ এরপর জাতীয় কংগ্রেসে বড় মুখ হয়ে ওঠেন বিধানবাবু৷ স্বাধীনতার পর গান্ধীজীর অনুরোধে ১৯৪৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহন করেন।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চিকিৎসা করেছেন বিধানবাবু

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চিকিৎসা করেছেন বিধানবাবু

দুর্গাপুর, বিধাননগর, কল্যানী, অশোকনগর-কল্যানগড়, হাবড়ার মতো শহরও গড়ে ওঠে বিধানচন্দ্র রায়ের হাতে৷ মুখ্যমন্ত্রী হয়েই চিকিৎসক স্বত্বা ভোলেননি বিধানবাবু৷ জীবনের শেষদিন পর্যন্ত চিকিৎসা করে গেছেন৷ দেখে গেছেন সাধারণ রোগীদের৷ ১৯৬১ সালে বিধানচন্দ্র রায়কে ভারতরত্নে ভূষিত করে ভারত সরকার৷

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+