কালাহান্ডি থেকে ময়ুরভঞ্জ, ওড়িশার উন্নয়নের ধারা যিনি একসূত্রে বেঁধেছেন চিনে নিন সেই অফিসারকে
গত কয়েক বছরে ওড়িশায় সামাজিক এবং অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উন্নয়নের ধারা বইছে। কালাহান্ডিতে এখন আর অনাহারে কেউ মারা যান না। কালাহান্ডি এখন আর শুষ্ক-রুক্ষ বন্ধাভূমি নেই। শষ্য-শ্যামলা ফসলি জেলায় পরিণত হয়েছে। ময়ুরভঞ্জেও উন্নয়নের ধারা বইছে। রাজ্যের একের পর এক অনুন্নত রাজ্য এখন আর্থিকভাবে অনেক উন্নত।
আর এসবের নেপথ্যের আসল কারিগর কে জানেন। নবীন পটনায়ক সরকারের অতি বিশ্বস্ত এবং দক্ষ আইএএস অফিসার ভিকে পাণ্ডিয়ান। তাঁর কৌশলেই গত ১৫ বছরে ওড়িশার একাধিক অনুন্নত েজলায় উন্নয়নের ধারা বইছে। কালাহাণ্ডি, ময়ুরভঞ্জের মতো জেলাতে আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ঘটাতে পেরেছে নবীন পটনায়ক সরকার।

২০০০ সালে আইএএস ব্যােচর অফিসার ভিকে পণ্ডিয়ান। প্রথমে তিনি ওড়িশার সবচেয়ে অনুন্নত জেলা কালাহান্ডির সাব কালেক্টর পদে যোগ দেন। কালাহান্ডির পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কালাহান্ডিতে তখন অনাহার- অনুন্নয়নের ধারা বইছে। কালাহান্ডির হাল ফেরাতে সমবায় সমিতি শুরু করেন তিনি। সেখানকার কৃষকদের নিয়ে সেই সমবায় সমিতি চালাতে শুরু করেছিলেন তিনি। তাতে ধীরে ধীরে বিপুল সাফল্য আসতে শুরু করে। এক কথায় কালাহান্ডির হাল ফিরে যায়। এই কালাহান্ডিই এখন ওড়িশা সরকারকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব দেয়।
তারপরে ওড়িশার ময়ুরভঞ্জ জেলার দায়িত্ব পান পান্ডিয়ান। তিনি ছিলেন দেশের প্রথম সবচেয়ে কমবয়সী আইএএস অফিসার যিনি সবচেয়ে বড় জেলার দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ময়ুরভঞ্জ জেলার হাল ফেরাতে তিনি প্রতিদিন জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরে বেড়াতেন। সেখানকার উন্নয়নের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতেন তিনি।
ময়ুরভঞ্জ জেলাটি ওড়িশার নকশাল প্রভাবিত জেলাগুলির মধ্যে অন্যতম। মূলত আদিবাসীদের বাস সেখানে। তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে সেখানকার নকশাল প্রভাব কম করতে সমর্থ হয়েছিলেন। সেখানকার মানুষের উন্নয়ন করতে সমর্থ্য হয়েছিলেন পান্ডিয়ান। একে তাঁর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলেই মনে করা হয়। সেখানকার একাধিক বাসিন্দাকে তিনি পুনর্বাসন দিতে সমর্থ হয়েছিলেন। তার জন্য পুরস্কৃতও করা হয়েছিল পাণ্ডিয়ানকে।
ময়ুরভঞ্জ জেলায় এই সাফল্যের জন্য পুরস্কৃত করা হয়েছে পাণ্ডিয়ান। কিভাবে এলাকার উন্নয়নে প্রশাসন এবং সেনা একসঙ্গে কাজ করতে পারে তার একাধিক বক্তৃতা করেছেন তিনি। একাধিক জায়গায় তাঁকে ডেকে পািঠয়ে এই নিয়ে বক্তব্য শোনা হয়েছে। ২০০৭ সালে তাঁকে ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় পাঠানো হয়। সেটি ছিল পাণ্ডিয়ানের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ। এই গঞ্জান জেলাকেও আমুল বদলে দিয়েছেন তিনি। তার জন্য তাঁকে জাতীয় পুরস্কার দেওয়া হয়। এলাকার এইচত আইভি সংক্রমণ মুক্ত করতে অনেকটাই সফল হয়েছেন তিনি।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications