Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সব থেকে বেশি শিশু পাচার উত্তরপ্রদেশ-বিহার-অন্ধ্র থেকে! পিছিয়ে নেই দিল্লিও, বাংলা কোথায়, একনজরে

দেশে উদ্ধার হওয়া শিশুদের ৮০ শতাংশের বয়স ১৩-১৮ বছর। এমনটাই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, গেমস 24x7 এবং কৈলাশ সত্যার্থী সংকলিত দ্য চাইল্ড ট্র্যাফিকিং ইন ইন্ডিয়া রিপোর্টে। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি একটি সক্রিয় অবস্থান নেওয়ার ফলে খবর সামনে আসছে বলেও রিপোর্টে প্রকাশ।

শিশু পাচার রুখতে জনসচেতনতা বাড়ানো চ্যালেঞ্জ, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আরও বলছেন, শিশু পাচারকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে সময়ের নিরিখে ব্যাপক পাচার বিরোধী আইন প্রয়োজন।

শিশু পাচার

২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের মধ্যে যেসব রাজ্যগুলি থেকে সব থেকে বেশি শিশু পাচার হয়েছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও অন্ধ্রপ্রদেশ। পিছিয়ে নেই দিল্লি। সেখানে কোভিডের আগে থেকে পরবর্তী সময়ের মধ্যে শিশু পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৮ শতাংশের মতো।

বিশ্ব শান্তিতে নোবেল জয়ী কৈলাশ সত্যার্থী প্রতিষ্ঠিত কৈলাশ সত্যার্থী চিলড্রেনস ফাউন্ডেশন এবং গেমস 24x7 শিশু পাচার নিয়ে যৌথভাবে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, জয়পুর শহর দেশে শিশু পাচারের হটস্পট। শিশু পাচারের শীর্ষে থাকা ১০ টি জেলার মধ্যে চারটিই দিল্লির।

সেখানে শিশু শ্রমিকদের দুর্দশার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে। বলা হয়েছে বেশিরভাগ শিল্পে ১৩ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে সর্বাধিক শিশুকে যুক্ত করা হয়। এখানেই শেষ নয়। প্রসাধনী শিল্পে আট বছরের কম বয়সী শিশুদের নিযুক্ত করার কথাও রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া শিশুদের নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ ১৩ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। ১৩ শতাংশ ছিল ৯-১২ বছর বয়সী। ২ শতাংশের বয়স ছিল ৯ বছরের কম।

প্রতিবেদনে ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ২১ টি রাজ্যের ২৬২ টি জেলা জুড়ে শিশু পাচারের তথ্য রয়েছে। এই সময়কালের মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সী ১৩,৫৪৯ টি শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দেশের শিশু শ্রমিকদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে একাধিক শিল্পে তাদের নিযুক্তির কথা তুলে ঝরা হয়েছে। বলা হয়েছে, যেসব শিল্পে সর্বাধিক সংখ্য শিশু শ্রমিক নিয়োগ করা হয় সেগুলি হল হোটেল ও ধাবা(১৫.৬ শতাংশ)। তারপরেই রয়েছে পরিবহণ (১৩%)ও পোশাক শিল্প (১১.১৮%)।

প্রতিবেদনে শিশু পাচারের সংখ্যা যে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাও তুলে ধরা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে কোভিডের আগে, যেখানে ২৬৭ টি রিপোর্ট করা হয়েছিল, কোভিডের পরবর্তী সময়ে সেখানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১৪-তে। এই সময়ে কর্নাটকে পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮ গুণ। রিপোর্ট করা ঘটনার সংখ্যা ৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১১০।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর সংখ্যা যেমন গুরুতর ও উদ্বেগজনক, ঠিক তেমনই সত্য অস্বীকার করার উপায় নেই গত এক দশকে ভারত আরও ভালভাবে শিশু পাচারের সমস্যা মোকাবিলা করেছে। পাচারকারীদের ধরতে এবং পাচার সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি বেশি সক্রিয় হয়েছে।

আরপিএফ, বিএসএফের মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা হস্তক্ষেপের ফলে পাচার হওয়া শিশুদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। সংসদের বাদল অধিবেশনে দেশের কঠোর ও ব্যাপক পাচার বিরোধী আইন প্রণয়নের দাবিও করছেন এনিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিশেষজ্ঞরা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+