বাংলা ও কেরলে বোমার বাজার চাঙ্গা, ভোটের মরশুম চলছে যে!

  • Posted By: Vicky Nanjappa
Subscribe to Oneindia News

    নয়াদিল্লি, ৬ মে : ভারতের প্রায় সব প্রদেশেই ভোটের সময়ে কম-বেশি গন্ডগোল হয়। তবে পশ্চিমবঙ্গে ভোট হলে তা যে মাত্রাছাড়া আকার নেয় তা বলাই বাহুল্য। এবার তেমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। জানা গিয়েছে ভোটের মরশুমে বাংলায় বোমার বাজার সবচেয়ে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। [যৌন দাসত্বের কারবারে ভারতের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ]

    এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই কেরলও। দুটি রাজ্যেই পিস্তল বা অন্য কোনও অস্ত্র নয়, বেআইনি বোমা তৈরির কারবারিদের রমরমা বাজার। আর তা দিয়েই ভোট সন্ত্রাস তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে বা হচ্ছে। [ভারতে আইএস জঙ্গিদের মূল উৎস পশ্চিমবঙ্গ, দাবি গোয়েন্দাদের]

    বাংলা ও কেরলে বোমার বাজার চাঙ্গা, ভোটের মরশুম চলছে যে!

    নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বোমা ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। বাংলায় সবে ভোট শেষ হয়েছে। তবু ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস অব্যাহত। অন্যদিকে কেরলে আগামী ১৬ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। [বাংলা ও তামিলে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় আইএসআইএস : কেন্দ্রীয় রিপোর্ট]

    জানা গিয়েছে, কেরল একজন বোমা তৈরির কারিগর ১০০টি বোমা তৈরি করতে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে দাম তুলনায় অনেকটাই কম। ১০০টি বোমার দাম এরাজ্যে ৫০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা। [জেনে নিন কীভাবে মালদহ দিয়ে সারা দেশে ছড়াচ্ছে জাল নোট]

    মূলত গরিব কারিগরদের দিয়েই এই প্রাণের ঝুঁকি নেওয়া কাজ করানো হচ্ছে। কারিগরদের দৈনিক ২০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যেও আবার ভাগ রয়েছে। যেমন খুব শক্তিশালী বোমার এক-একটি বিকোচ্ছে ১৫০০ টাকা করে। এছাড়া কম শক্তিশালী বোমা ২০০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

    বোমা তৈরি করা ব্যক্তিরা কোনও পরিত্যক্ত বাড়িতে বা এমনকী লোকালয়ের মধ্যে নিজের বাড়িতে বসেই বোমা তৈরি করছে। যার ফলে বোমা ফেটে বিস্ফোরণের বেশ কয়েকটি ঘটনা ইতিমধ্যেই নজরে পড়েছে। আর সেজন্যই গোটা বিষয়টি পুলিশ বা নিরাপত্তাকারীদের নজর এড়িয়ে গিয়েছে।

    English summary
    In Kerala and West Bengal, bombs saw high demand this year

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more