Kanchanjunga Express Accident: ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়ল বিড়াল! দুর্ঘটনার আসল কারণ প্রকাশ্যে তদন্ত রিপোর্টে
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনার দায় চালকের উপরে চাপিয়েছিল রেলবোর্ড। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়তেই ফাঁস হয়ে গেল রেলের একাধিক গাফিলতির ছবি। মঙ্গলবার বিশেষ কমিটি দুর্ঘটনার তদন্তরিপোর্ট পেশ করে।
সেই তদন্ত রিপোর্টে রেলের একাধিক গাফিলতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সিগন্যাল সিস্টেম থেকে শুরু করে স্টেশন মাস্টারের ভূমিকা একের পর এক গাফিলতি প্রকাশ্যে এসেছে। কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি তদন্ত রিপোর্টে জানিয়েছে, এতো গাফিলতি ছিল সেখানে যেন কোনও দুর্ঘটনার অপেক্ষায় ছিলেন সকলে।

তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ট্রেন অপারেশনে প্রচুর গাফিলতি ছিল। কেবল চালকের ঘাড়ে দোষ চাপালেই হবে না। সিগন্যাল যে খারাপ রয়েছে তার সঠিক তথ্য সঠিক ভাবে জানানো হয়নি মালগাড়ির চালককে। সামনে কোন ট্রেন রয়েছে তার মেমু ঠিক ভাবে দেওয়া হয়নি। এমনকী চালকের প্রশিক্ষণেও গাফিলতি রয়েছে রেলের। মালগাড়ির চালককে সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
রেল বোর্ডের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। এমনকী রাঙাপাণি স্টেশনের মাস্টারও সঠিক ভাবে কাজ করেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই লাইনে একাধিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল খারাপ ছিল। তারপরেও সঠিক ভাবে কাজ করা হয়নি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে কবচ পরিষেবা অবিলম্বে চালু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৭ জুন এনজেপি স্টেশনের কাছে রাঙাপাণি স্টেশনের অদূরেই কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে পিছন থেকে জোরে এসে ধাক্কা মারে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের চারটি বগি ছিটকে গিয়ে পড়ে রেললাইনের উপরে। দুর্ঘ়টনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। একই লাইনে কীভাবে দুটি ট্রেন চলে এলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তড়িঘড়ি রেলওয়ের বোর্ডের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে চালকের গাফিলতিতে দুর্ঘটনা বলে জানানো হয়।
দুর্ঘটনায় চালকের মৃত্যু হলেও লোকো পাইলট আহত হয়েছিলেন। কিন্তু রেলওয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেওয়া হয় লোকো পাইলটও মারা গিয়েছেন । তারপরে সংবাদ মাধ্যমে ধরা পড়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। রেলের তরফ থেকে এবং কেন্দ্রের তরফ থেকে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হলেও ১০টি প্রাণ বেঘোরে কেন গেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।












Click it and Unblock the Notifications