Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

অনুপ্রবেশ রোধেই কি এসআইআর? কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েনে বাড়ছে কি উদ্বেগ? জানুন

দেশ জুড়ে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন তথা এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে অনুপ্রবেশকে রুখতেই এই উদ্যোগ একথাই স্পষ্ট করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি জানান, "অনুপ্রবেশ ঠেকানো শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ও।"

বিরোধীদের উদ্দেশে তার কটাক্ষ "অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার প্রচারাভিযান দুর্বল করতে চাইছে কিছু রাজনৈতিক দল, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।" শাহ যদিও কোনও দলের নাম নেননি, তবে তার মন্তব্যের ঠিক আগেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি লিখে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন যে রাজ্যে চলছে এমন এক "অগোছালো, চাপ সৃষ্টি করা ও বিপজ্জনক" এসআইআর প্রক্রিয়া, যা পুরো ব্যবস্থাকেই বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

অমিত শাহের স্পষ্ট বার্তা "গণতন্ত্রকে দূষিত করতে পারে না অনুপ্রবেশকারীরা", স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, বিএসএফ সীমান্ত জুড়ে দিনরাত কাজ করছে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে। তাই ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণে কমিশনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। শাহের স্পষ্ট বার্তা "ভারতের মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবলমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের। কোনও অনুপ্রবেশকারী দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার অধিকার রাখে না।"

তিনি আরও বলেন, এসআইআর হল গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত ও পরিশুদ্ধ করার প্রক্রিয়া, যা সফল করতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা জরুরি। বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যে যেসব দল অনুপ্রবেশকারীদের "রক্ষা করছে" বলে তার অভিযোগ "এমন মানসিকতা জনগণ কোনও দিন সমর্থন করবে না।"

মমতার পাল্টা চিঠিতে বলা হয়েছে 'গোটা প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছে'। অমিত শাহের বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টা আগেই নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় চিঠি পাঠান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, রাজ্যে এসআইআর এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যা "গভীরভাবে উদ্বেগজনক"। তিনি লিখেছেন
"যেভাবে এই প্রক্রিয়া আমলাদের ও নাগরিকদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা পরিকল্পনাহীন, বিশৃঙ্খলকর ও বিপজ্জনক। প্রথম দিন থেকেই ব্যবস্থাটা ভেঙে পড়েছে।"

মমতার দাবি, প্রস্তুতির অভাব, প্রশিক্ষণের ঘাটতি, নির্দেশনার অস্পষ্টতা সব মিলিয়ে প্রশাসনিক কর্মীদের ওপর চাপে ভুল বা অসম্পূর্ণ নথিভুক্তিকরণ হচ্ছে। এতে বাস্তব ভোটারদের ভোটাধিকার খর্ব হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি সতর্ক করে লিখেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি এসআইআর এর "বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে", এমনকি তা চলতে থাকলে এর ফলাফল হবে "অপরিবর্তনীয় ক্ষতি।"

'তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ জরুরি' বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন এসআইআর প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করা হোক, নাহলে জোরজবরদস্তি বন্ধ করা হোক, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক, পদ্ধতি ও সময়সীমা নতুন করে পুনর্বিবেচনা করা হোক। তার মতে, এই মুহূর্তে দরকার "দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+