আফগানিস্তানে দারিদ্রতা বৃদ্ধির আশঙ্কা নিয়ে সতর্ক করল দিল্লি, জয়শঙ্কর জানালেন আফাগানদের পাশে রয়েছে ভারত
'আফগানিস্তান একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে চলছে'। ঠিক এই ভাষাতেই রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে মানবিক পরিস্থিতি সম্পর্কীয় একটি আলোচনায় ভারত নিজের অবস্থান ব্যক্ত করে। দিল্লি এদিন ফের একবার তালিবানের দখলে থাকা আফগানিস্তান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এদিন মানবিক দিক নিয়েএকাধিক মন্তব্য করে আফগান পরিস্থিতি বর্ণনা করেছেন ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। প্রাক্তন আফগান রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সরিয়ে তালিবানের আসার ফলে যে আর্থ সামাজিক সহ বিভিন্ন দিক থেকে প্রবলহারে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে, তা নিয়েই এদিন বার্তা দিয়েছেন জয়শঙ্কর।

আফগানিস্তানে নজর রয়েছে ভারতে
এদিন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের প্রতিবেশী হিসাবে ভারত গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, আফগানিস্তান বর্তমানে একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক, আর্থিক, সামাজিক, ও নিরাপত্তাজনিত একাধিক পরিবর্তন সেদেশে হয়েছে। সেই জায়গা থেকে মানবিক দিক থেকেও বহু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে আফগানিস্তানে।

দারিদ্রতা বাড়তে পারে!
এদির রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, ইউএডিপি সাম্প্রতিককালেই জানিয়েছে যে আফগানিস্তানে দারিদ্রতা বৃদ্ধির পরিমাণ হু হু করে কার্ভের উঁচুর দিকে যেতে পারে। ফলে বাড়তে পারে দারিদ্রতা। ৭২ শতাংশ থেকে ৯২ শতাংশ হতে পারে সেদেশের দারিদ্রতার পরিমাণ। সেই জায়গা থেকে সতর্ক করেছে দিল্লি। বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে ভয়াবহ কোনও ঘটনা নেমে আসতে পারে, যা এলাকার স্থায়ী পরিস্থিতিকে বিঘ্নিত করতে পারে।

আফগানদের পাশে থাকতে চায় ভারত
এদিকে, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন যে, যেকোনও রকমের মানসিক সহযোগিতা ও বিভিন্ন দিক থেকে আফগানদের পাশে থাকতে চায় ভারত। এদিন বিশ্বমঞ্চে রাষ্ট্রসংঘের বিশষ বৈঠকে একথা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এর সঙ্গেই জয় শঙ্কর জানিয়েছেন, যে যাঁরা আফগানিস্তান ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চান, বা যেতে চান দেশের অভ্যন্তরেই কোথাও , তাঁদের যেন প্রার্থিত অনুমতি দেওয়া হয়।

তালিবানি শাসন ও আফগানিস্তান
এদিকে আফগানিস্তানে নব নিযুক্ত তালিবান সরকার যে চিনকে বন্ধুদেশ হিসাবে পাশে পেতে চায়, তা বহু আগেই জানিয়ে দিয়েছে তারা। এদিকে,সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে তালিবান আপাতত চিনকেই বড়সড় বিনিয়োগকারী হিসাবে দেখছে। সেই পরিস্থিতিতে চিনের সঙ্গে তালিবানি সম্পর্ক কোনদিকে যায়, তার ওপর নির্ভর করে রয়েছে ভারতের কূটনৈতিক স্টান্স। ভারত বিরোধী চিন ও পাকিস্তান কোন পথ ধরে আফগানিস্তানে তালিবানি পদক্ষেপকে নিয়ে এগিয়ে যায়, সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব সহ ভারত।












Click it and Unblock the Notifications