মধ্যস্থতাকারীদের চাপ পাকিস্তানকে! এড়ানো গেল ২৭ ফেব্রুয়ারির ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ
১৪ ফেব্রুয়ারির জঙ্গি হামলা এবং পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানে বিমান হানার মধ্যেই যুদ্ধের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশ। জানা গিয়েছে, ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই দেশই ক্ষেপণাস্ত্র হানার মুখোমুখি দাঁড়িয়
১৪ ফেব্রুয়ারির জঙ্গি হামলা এবং পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানে বিমান হানার মধ্যেই যুদ্ধের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশ। জানা গিয়েছে, ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই দেশই ক্ষেপণাস্ত্র হানার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল। যদিও মধ্যস্থতাকারীরা অভিনন্দন বর্তমানকে নিয়ে ইমরান সরকারকে বোঝানোয় সফল হওয়ায়, সেই যুদ্ধ এড়ানো যায়।

মিগ ২১ বিমানের কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে আটক করার পর কড়া বার্তা দিয়েছিল ভারত। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-র সেক্রেটারি অনিল ধাসমানা পাকিস্তানে আইএসআই-এর প্রধান লেফট্যানেন্ট অসীম মুনিরের সঙ্গে কথা বলেন। ভারতীয় পাইলটের কোনও ক্ষতি হলে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে বার্তা দেন তিনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী ধাসমানা মুনিরের সঙ্গে পাইলটের মুক্তি নিয়ে কথা বলেন।
যেসময় 'র'-এর প্রধান পাকিস্তানের আইএসআই-এর প্রধানের সঙ্গে কথা বলছেন, সেই সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল আমেরিকায় তাঁর সমপর্যায়ের জন বোল্টন এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও-র সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, ভারত যে কোনও খারাপ পরিস্থিতির জন্য তৈরি। যদি বর্তমানের কোনও ক্ষতি করা হয়। দোভাল ও ধাসমানা সংযুক্ত আরব আমীরশাহিতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাতে তারা বিষয়টি নিয়ে ইমরান সরকারকে বোঝাতে সক্ষম হন।
পাকিস্তান সূত্রের দাবি, ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ভারত নটি ক্ষেপণাস্ত্র একেবারে তৈরি রেখেছিল পাকিস্তানের দিকে তাক করে। অন্যদিকে, পাকিস্তানও ১৩ টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি রেখেছিল ভারতের দিকে লক্ষ্য করে। পাকিস্তানের সূত্রের দাবি, এই হামলা হতে পারত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে ৯ থেকে ১০ টার মধ্যে।
২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাবনার কথা ছড়িয়ে পড়েছিল। এর পরেই পাকিস্তানের তরফে ইসলামাবাদ, লাহোর, করাচি এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত অবস্থানগুলিতে ব্ল্যাক আউটের নির্দেশ দিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications